রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আজাদি না গোলামি— চূড়ান্ত ফয়সালা হবে ভোটেই: জামায়াতে আমির

এই রাজনৈতিক লড়াই কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা দলের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য নয়, বরং দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার সংগ্রাম। তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পথে এগোবে, নাকি আবারও পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হবে। আজাদি না গোলামি—এই প্রশ্নের চূড়ান্ত ফয়সালা হবে ভোটের দিন।

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৮

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ঢাকা-১৫ আসনের সংসদীয় প্রার্থী ডা. শফিকুর রহমান সোমবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁও থেকে মিরপুর এলাকায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী গণমিছিলে নেতৃত্ব দেন। গণমিছিলের শুরুতে তিনি বলেন,

এই রাজনৈতিক লড়াই কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা দলের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য নয়, বরং দেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার সংগ্রাম। তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পথে এগোবে, নাকি আবারও পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হবে। আজাদি না গোলামি—এই প্রশ্নের চূড়ান্ত ফয়সালা হবে ভোটের দিন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের বিষয় নয়; এই ভোটের মাধ্যমে জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মামলাবাজির রাজনীতি চলবে কি না এবং দেশের মা-বোনেরা নিরাপত্তা ও মর্যাদা পাবে কি না। বিকেলে আগারগাঁওয়ের তালতলা এলাকা থেকে শুরু হওয়া গণমিছিলটি আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিরপুর এলাকায় পৌঁছায়। আগারগাঁও থেকে তালতলা হয়ে মিরপুর পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। মূল সড়কসহ বিভিন্ন অলিগলিতে মানুষের ঢল নামে। গণমিছিলে জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখাসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

একই দিন রাজধানীর মোহাম্মদপুর ঈদগাহে ঢাকা-১৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হকের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে জামায়াত আমির বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে পাহারা বসানোর আহ্বান জানান। তিনি বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, একটি পক্ষ ও পরিবার জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে এবং হারের ভয়ে ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছে। তিনি প্রশাসন ও পুলিশকে সতর্ক করে বলেন, নির্বাচনে কারচুপি হলে তা ক্ষমা করা হবে না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় জোট নির্বাচনে জয়ী হলে মামুনুল হক মন্ত্রী হবেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনিও নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে সতর্ক করে বলেন, কারচুপি হলে ছাড় দেওয়া হবে না। জনসভায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে জামায়াত আমির বলেন, এখন থেকেই ভোট পাহারা শুরু করতে হবে। জালিয়াত, ভোটচোর ও অবৈধ ইঞ্জিনিয়াররা যদি জনগণের ভোট নিয়ে খেলতে চায়, তবে তা শক্ত হাতে রুখে দিতে হবে। বিজয়ের মালা পরিয়ে দিয়েই ঘরে ফিরতে হবে।

তিনি বলেন, যারা ক্ষমতার জন্য পাগল হয়ে গেছে, জনগণ তাদের অতীতে দেখেছে এবং শান্তিপ্রিয় মানুষ এবারও তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। যারা জনগণের পক্ষে ও জুলাই আকাঙ্ক্ষার পক্ষে আছে, তারাই বিজয়ী হবে। ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, একটি পক্ষ হেরে যাওয়ার ভয়ে হতাশ হয়ে চোরাইপথে নির্বাচন হাইজ্যাকের চিন্তা করছে, গুন্ডা লেলিয়ে দিচ্ছে, অস্ত্রের ভাণ্ডার গড়ে তুলছে এবং ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করছে। পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, তরুণরা ১২ ফেব্রুয়ারি একই রায় দেবে। কেউ যদি সেই রায় ভয়ের কারণে চোরাইপথে বদলাতে চায়, জাতি তা ক্ষমা করবে না।

আমলা ও সচিবদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কিছু অসৎ আমলা ও সচিব এখনো দলবাজি করে নির্দিষ্ট প্রার্থীকে জেতানোর চেষ্টা করছে। কে জিতবে বা হারবে, তা নির্ধারণ করবে জনগণের ভোট। অতীতে অপরাধ করে যারা ক্ষমা পেয়েছে, ভবিষ্যতে আর সেই সুযোগ পাবে না বলে তিনি হুঁশিয়ার করেন। আওয়ামী লীগের শাসনামলের বিতর্কিত নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি করে দেশকে আবার ফ্যাসিবাদের দিকে ঠেলে দেওয়ার দুঃসাহস না দেখাতে সতর্ক করে তিনি বলেন, কেউ এমন দুঃসাহস দেখালে পরিণতি ভালো হবে না। জুলাইতে যেমন ফ্যাসিবাদ রুখে দেওয়া হয়েছে, আগামীতেও তেমনই রুখে দেওয়া হবে।

নির্বাচনে কারচুপির চেষ্টা হলে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, জুলাই যোদ্ধারা ঘুমিয়ে নেই। জনগণের ভোট কেউ ছিনতাই করতে পারবে না। তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোট জুলাই আকাঙ্ক্ষা, সংস্কার ও সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং এই ঐক্য চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, মামলাবাজ ও সব ধরনের অপরাধীর বিরুদ্ধে। জনগণ ঐক্যবদ্ধ হলে বিজয় নিশ্চিত বলেও তিনি দাবি করেন।

ঢাকা-১৩ আসনে মামুনুল হকের রিকশা প্রতীকে ভোট চেয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রিকশা জনগণের প্রতীক, তরুণ প্রজন্ম ও নারী সমাজের প্রতীক, আধিপত্যবাদবিরোধী মানুষের প্রতীক। মামুনুল হক জয়ী হলে তিনি দেশ ও ঢাকা-১৩ আসনের জন্য মর্যাদাবান মন্ত্রী হবেন এবং সংসদে ইনসাফের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেবেন। একই দিনে জামায়াত আমির ঢাকা-১৫ আসনে নিজের জন্যও ভোট চেয়ে গণমিছিল করেন, যেখানে হাজার হাজার নেতাকর্মী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৭৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৫০

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৫০

রাজনীতি

১১ দলীয় জোটেই যাচ্ছে জামায়াত, শিগগিরই ঘোষণা

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান। মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিছিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:০৬

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। জামায়াতের আমিরের এই জনসভা আরও বেশি ত্বরান্বিত করবে।

একটি দল শিরক করছে তারেক রহমানের এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম বলেননি৷ আর জামায়াতে ইসলাম কিভাবে পরিচালনা হয়, দেশের মানুষ তা জানেন।

এসময় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, জামায়াত মনোনীত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী-দেলাওয়ার হোসেনসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৭৪