সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

জনসমুদ্রের উত্তাল ঢেউ বালু দিয়ে আটকে রাখা যায় না : স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন

পটুয়াখালী-৩ আসনে হিন্দু-মুসলমান, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন। তিনি বলেন, “আমরা উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে নির্বাচনে নেমেছি। ফেরিঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ হতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং আমরা সবসময় আপনাদের […]

জনসমুদ্রের উত্তাল ঢেউ বালু দিয়ে আটকে রাখা যায় না : স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩:২৮

পটুয়াখালী-৩ আসনে হিন্দু-মুসলমান, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন। তিনি বলেন, “আমরা উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে নির্বাচনে নেমেছি। ফেরিঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ জনগণের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজ হতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং আমরা সবসময় আপনাদের পাশে থাকব।”

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৪টায় গলাচিপা মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী প্রচারণার শেষ জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পটুয়াখালী-৩ আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য হাসান মামুন।

হাসান মামুন বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের অধিকার সমান। সাম্প্রদায়িক উস্কানির বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি এবং প্রতিটি ঘটনার বিচার হবে।

তিনি আরও বলেন, “শুরু থেকেই পটুয়াখালী-৩ আসনের মনোনয়ন নিয়ে তালবাহানা ও নানা খেলা শুরু হয়। একপর্যায়ে আমরা দেখি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এখানে মনোনয়ন না দিয়ে সম্পূর্ণ গণবিচ্ছিন্ন ও অজনপ্রিয় একটি জোটের নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে গলাচিপা উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও সকল সাংগঠনিক ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়ে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে আমাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।”

তিনি বলেন, “এই সিদ্ধান্তের পর আমি দল থেকে পদত্যাগ করার পরও আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তা মেনে নিয়েই আমি নির্বাচনের পথে অটল রয়েছি। আমাদের উপজেলা, অঙ্গসংগঠন, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটিগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। হাজার হাজার নেতাকর্মী পদবঞ্চিত হয়েছেন। তারপরও আমরা সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বিজয় অর্জনের শপথ নিয়েছি।”

হাসান মামুন অভিযোগ করে বলেন, “ইতোমধ্যে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র, হয়রানি ও অপপ্রচার চলছে। তবুও আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি—একটি নিরাপদ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি উপেক্ষা করে আপনারা আজ মাঠে উপস্থিত হয়েছেন। আগামী নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেবেন।”

তিনি আরও বলেন, “আজ বিভিন্ন জায়গায় আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা ও হয়রানি করা হয়েছে। তবুও আমাদের কর্মীরা মাঠে রয়েছে। মনে রাখবেন, জনসমুদ্রের উত্তাল ঢেউ বালু দিয়ে আটকে রাখা যায় না। আগামী নির্বাচনে আপনারা আপনাদের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন। এরপর একটি নতুন গণতান্ত্রিক অধ্যায়ের সূচনা হবে।”

স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সাত্তার হাওলাদার, এডভোকেট মো. শামীম, সাংবাদিক ইশরাত হোসেন লিপটন, এডভোকেট হাবিবুর রহমান হিরন, দশমিনা উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ডলি খানমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

জনসভা শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের নেতৃত্বে গলাচিপা পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে একটি নির্বাচনী শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গলাচিপা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী মিছিল সহকারে জনসভাস্থলে উপস্থিত হন।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।