উত্তরাঞ্চলের তিন জেলায় নির্বাচনী সমাবেশের অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত জনসভায় যোগ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভার মঞ্চে ওঠেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ ২৩ বছর পর ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে পা রাখলেন তিনি।
বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ২০০৩ সালের ৪ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও থেকেই তৃণমূল পর্যায়ের ইউনিয়ন প্রতিনিধি সম্মেলনের সূচনা করেছিলেন তারেক রহমান। ওই সম্মেলনটি উদ্বোধন করেন তৎকালীন স্বাস্থ্য মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
সে কারণেই ঠাকুরগাঁওয়ে তারেক রহমানের আগমন বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিশেষ আবেগের সৃষ্টি করেছে, যার প্রতিফলন দেখা যায় জনসমুদ্রে পরিণত হওয়া নির্বাচনী সমাবেশে।
বেলা ১১টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সমাবেশের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর পবিত্র গীতা ও পবিত্র বাইবেল পাঠ করা হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করছেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন এবং সঞ্চালনায় রয়েছেন সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী।
এর আগে সকাল থেকেই বিএনপির নেতা-কর্মীরা ছোট ছোট মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে সমবেত হতে থাকেন। অনেকের হাতে ছিল ঠাকুরগাঁওয়ের সন্তান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ের দলীয় প্রার্থীদের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড।
সমাবেশে ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলার বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরাও উপস্থিত রয়েছেন। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে আব্দুস সালাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে জাহিদুর রহমান জাহিদ, পঞ্চগড়-১ আসনে নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং পঞ্চগড়-৩ আসনে মনজুরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে ঠাকুরগাঁওয়ে আসেন তারেক রহমান। একই দিন দুপুর দেড়টায় নীলফামারীর বড় মাঠে এবং আড়াইটায় দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে আরও দুটি জনসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।