আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন জনপ্রিয় ইসলামী চিন্তাবিদ ড. মিজানুর রহমান আজহারি। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, “তারুণ্যের প্রথম ভোট, ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে হোক।”
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সব রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৬ অনুযায়ী কোনো প্রার্থী, তার নির্বাচনী এজেন্ট বা প্রার্থীর পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন। তবে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম, অ্যাকাউন্ট আইডি, ই-মেইলসহ প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য প্রচার শুরুর আগেই রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করতে হবে।
এ ছাড়া আচরণ বিধিমালার বিধি ২২-এর উপধারা (২)-এ বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরি, বিজ্ঞাপন, বুস্টিং ও স্পন্সরশিপসহ সব ধরনের অনলাইন প্রচার-প্রচারণায় যে ব্যয় হবে, তা নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ হিসেবে গণ্য হবে। এসব ব্যয়ের পূর্ণ বিবরণ নির্বাচন কমিশনে দাখিল করার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণ বিধিমালায় উল্লিখিত সব নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে কোন কোন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী কোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করছে—সে সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখায় পাঠানোর জন্য রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, গত ২২ জানুয়ারি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়েছে, যা ভোট গ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত চলবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।