রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের ৩২তম বিবাহবার্ষিকী আজ

আজ ৩ ফেব্রুয়ারি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমানের বিবাহবার্ষিকী। ১৯৯৪ সালের এই দিনে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সময়ের পরিক্রমায় নানা সংগ্রাম ও চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ তাদের দাম্পত্য জীবনের ৩২ বছর পূর্ণ হলো। ডা. জুবাইদা রহমানের পৈতৃক বাড়ি সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে। তার জন্ম ১৯৭২ […]

তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানের ৩২তম বিবাহবার্ষিকী আজ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:২৬

আজ ৩ ফেব্রুয়ারি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমানের বিবাহবার্ষিকী। ১৯৯৪ সালের এই দিনে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সময়ের পরিক্রমায় নানা সংগ্রাম ও চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ তাদের দাম্পত্য জীবনের ৩২ বছর পূর্ণ হলো।

ডা. জুবাইদা রহমানের পৈতৃক বাড়ি সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে। তার জন্ম ১৯৭২ সালের ১৮ জুন। তিনি সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ও ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কন্যা।

পারিবারিকভাবে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীর ভাতিজি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল আইরিন খানের চাচাতো বোন।

রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য হওয়া সত্ত্বেও ডা. জুবাইদা রহমান নিজেকে একজন ‘মেরিটোক্র্যাট’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতার বড় কারণ তার উচ্চশিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা এবং একজন সফল চিকিৎসক হিসেবে গড়ে ওঠা ব্যক্তিগত ইমেজ। এসব কারণেই তিনি রাজনীতির বাইরেও স্বতন্ত্র পরিচিতি অর্জন করেছেন।

তার পিতা রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বাংলাদেশের নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকারে তিনি যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। কে-৪৭ (K-47) ব্যাচের শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি ১৯৯৫ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। একই বছর ২১তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন, যা তার মেধা ও অধ্যবসায়ের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

২০০৮ সালে তারেক রহমানের চিকিৎসার প্রয়োজনে তিনি লন্ডনে যান। সেখানে অবস্থানকালে নিজের উচ্চশিক্ষা অব্যাহত রেখে ২০০৯–১০ শিক্ষাবর্ষে বিশ্বের খ্যাতনামা ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনে কার্ডিওভাসকুলার সায়েন্সে ভর্তি হন এবং ২০১১ সালে এমএসসি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর অর্জনের জন্য তিনি মর্যাদাপূর্ণ স্বর্ণপদকে ভূষিত হন।

হৃদরোগ বিষয়ে তার গবেষণা ও একাডেমিক কাজ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসিত হয়েছে। লন্ডনের চিকিৎসা মহলেও তার পেশাগত পরিচিতি সুদৃঢ় ও সম্মানজনক।

সম্প্রতি তিনি বিভিন্ন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও দাতব্য চিকিৎসালয় পরিদর্শনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। তারেক রহমান প্রতিষ্ঠিত ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে তিনি বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা হিসেবেও যুক্ত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের পর দীর্ঘদিন সরকারি চাকরিতে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার তার স্বাস্থ্য ক্যাডার পদ বাতিল করে। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই আদেশ পুনর্বিবেচনার প্রক্রিয়া চলছে এবং তাকে চাকরিতে পুনর্বহালের আইনি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর ২০২৫ সালের মে মাসে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে লন্ডন থেকে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পাশে থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে সহায়তা করছেন। চিকিৎসক পেশার পাশাপাশি তার এই সক্রিয় অংশগ্রহণ রাজনীতিতে তার ভবিষ্যৎ ভূমিকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

উল্লেখযোগ্য যে, তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত ও সম্ভাবনাময় তরুণ মুখ হিসেবে ইতোমধ্যেই পরিচিতি অর্জন করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২৪

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২৪

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২৪

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১২৪