মার্কিন কর্মকর্তারা সৌদি আরবের কাছে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই চুক্তির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার। অস্ত্র প্যাকেজের আওতায় সৌদি আরবকে ৭৩০টি প্যাক-৩ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা সরবরাহ করা হবে বলে জানা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বিক্রিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন।
অন্যদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যেও রাশিয়ার অস্ত্র রপ্তানি কার্যক্রম থেমে নেই। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে জানা গেছে, গত বছর বিশ্ববাজারে সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি করে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে মস্কো। যুক্তরাষ্ট্রের পর রাশিয়াই বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র রপ্তানিকারক দেশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন বাজার সৃষ্টি ও অস্ত্র ক্রেতাদের সঙ্গে অবস্থান শক্তিশালী করার কৌশলের অংশ হিসেবে ২০২৫ সালে রাশিয়া অন্তত ৩০টি দেশে সামরিক পণ্য সরবরাহ করেছে। এসব চুক্তি থেকে দেশটির আয় ১৫ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। একই সঙ্গে সামরিক খাতে ১৪টি দেশের সঙ্গে যৌথভাবে ৩৪০টির বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে রাশিয়া।
চীন, মিশর, দক্ষিণ আফ্রিকা ও আলজেরিয়াকে বর্তমানে রাশিয়ার প্রধান সামরিক অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়ার এই অস্ত্র রপ্তানি কার্যক্রম বিশ্ব রাজনীতিতে শক্তির ভারসাম্য ও ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতাকে আরও জটিল করে তুলছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?