শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশ পাল্টাবে, চাঁদাবাজ ও সিন্ডিকেট মুক্ত দেশ হবে: জামায়াত আমির

যুব সমাজের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতেই চাঁদাবাজমুক্ত ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। যুবকদের কারণেই আজ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পাচ্ছি।

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২২:২৬

জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচনে জয়ী হলে ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই দেশে পরিবর্তনের সূচনা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। চাঁদাবাজমুক্ত ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, চাঁদাবাজির কবল থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে আমরা নির্দয় ও নিষ্ঠুর হব।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুর, কারওয়ানবাজার ও বনানীতে পৃথক নির্বাচনী সভায় এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। কারওয়ানবাজারের সমাবেশে ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থীর পক্ষে প্রচার চালিয়ে তিনি বলেন,

যুব সমাজের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতেই চাঁদাবাজমুক্ত ন্যায় ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। যুবকদের কারণেই আজ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পাচ্ছি।

যুব সমাজকে চাঁদাবাজ, দখলবাজ ও অস্ত্রবাজ বানানোর চেষ্টা সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ার করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তরুণদের বেকার ভাতা নয়, সম্মানজনক কাজ দিতে হবে। কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে।

চাঁদাবাজ রাজনীতিবিদদের কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে তিনি বলেন,

‘রাজনীতিও করবেন! চাঁদাবাজিও করবেন! কিন্তু চাঁদাবাজ বলা যাবে না! এটা কোন ধরণের কথা? চাঁদাবাজি ছেড়ে দেন, আপনাকে কেউ চাঁদাবাজ বলবে না। চাঁদাবাজি বন্ধ করতে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পাঠাবো না, আমরাও মাঠে নামবো।’

বৈষম্য নয়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন,

‘২৮ ডিসেম্বর চাঁদাবাজদের হাতেনাতে শিক্ষা দিয়েছিলেন কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীরা।’ তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জনগণকেও এভাবেই চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

কারওয়ানবাজারে কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির কারণে কৃষক, ভোক্তা ও ব্যবসায়ী সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পণ্য ঢাকায় পৌঁছাতে পৌঁছাতে দাম তিন থেকে চার গুণ বেড়ে যায়।

ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলনের উত্থাপিত সমস্যাগুলোর কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ক্ষমতায় এলে এসব অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে। অতীতেও জামায়াত কাজের মাধ্যমে প্রমাণ দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এর আগে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পাল্টা অভিযোগের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন,

‘অনন্ত তিনটি মন্ত্রণালয় দুর্নীতি থেকে বেঁচে যায়, সে জন্যই পদত্যাগ করেননি জামায়াতের নেতারা।’

৫ আগস্টের পর জামায়াতের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন,

‘৫ আগস্টের পর জামায়াত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কারও ওপর প্রতিশোধ নেবে না, জুলুম করবে না। জামায়াত কথা রেখেছে, মিথ্যা মামলা দেয়নি।’ আওয়ামী লীগ আমলে জামায়াত নেতাকর্মীদের আর্থিকভাবে নিঃস্ব করা হলেও তারা কারও সঙ্গে অন্যায় করেননি বলে দাবি করেন তিনি।

ভোটের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে জামায়াত আমির বলেন,

‘আলামত ভালো নয়। মা বোনদের গায়ে হাত দেওয়া হচ্ছে। জায়গায় জায়গায় হামলা হচ্ছে, বাঁধা দেওয়া হচ্ছে। আপনারা বলেছেন, ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্বাচন উপহার দেবেন। এখনও জনগণ আশ্বস্ত হয়নি। অন্যথায় ব্যর্থতায় দায় নিতে হবে।’

নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ফল মেনে নেওয়ার কথা জানিয়ে বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘গণগন্ত্রের পথে হাঁটুন। আপনার কর্মসূচি আপনি চালিয়ে যান, জনগণের ইচ্ছা হলে গ্রহণ করবে।’

এর আগে মিরপুরে জামায়াতের নির্বাচনী ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন,

‘গত ৫৪ বছর যে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেশ চালানো হয়েছে, মাঝে মাঝে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রে জুলুম করা হয়েছে। ফ্যাসিজম চাপিয়ে দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন,

‘দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন সমাজ চাই। নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ দেশ চাই।’ মিরপুর ও কাফরুল এলাকার দীর্ঘদিনের সন্ত্রাস পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, যাদের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব, আল্লাহ যেন তাদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেন।

হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারের বাস উদ্বোধন করে জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচিত হলে জনগণের শাসক নয়, সেবক হতে চান। প্রয়োজনে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করবেন, তবুও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিতে দেবেন না।

শেরপুরে বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহতের প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান হুঁশিয়ার করে বলেন, গায়ের জোরে কিছুই করা যাবে না। সবাইকে সংযত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

কারওয়ান বাজারের সমাবেশে ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল আলম খান মিলনসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা বক্তব্য দেন। মিরপুরে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইনসহ ১১ দলের নেতারা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০২

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০২৮

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০২

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১০২