“যারা খুনের নেশায় মত্ত, তাদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে”—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শেরপুরে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন জামায়াত নেতা নিহত হওয়ার ঘটনার পর তিনি এ মন্তব্য করেন।
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত পৌনে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।
রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, বিএনপি সমর্থকদের হামলায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি লেখেন, শেরপুর-৩ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ার নিয়ে বসাকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়, যা পরে সহিংসতায় রূপ নেয়। এতে জামায়াতের ৫০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ এখন তাদের কার্যকর ভূমিকা দেখতে চায়। যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।