শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ডাকসুকে ‘বেশ্যাখানা’ বলা সেই জামায়াত নেতার পদ স্থগিত, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা’ ছিল- এমন মন্তব্য করে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি করা বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মো. শামীম আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে তার বিরুদ্ধে বরগুনা জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন পাথরঘাটা সদর উপজেলার বাদুরতলা এলাকার আফরোজ নামে এক ব্যক্তি। এ অভিযোগে তিনি […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:২১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা’ ছিল- এমন মন্তব্য করে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি করা বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মো. শামীম আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে তার বিরুদ্ধে বরগুনা জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন পাথরঘাটা সদর উপজেলার বাদুরতলা এলাকার আফরোজ নামে এক ব্যক্তি।

এ অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ‘বরগুনা-২ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের নির্বাচনী কার্যক্রমে জামায়াতের বরগুনা জেলা শাখার সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসান নিয়মিতভাবে বিভিন্ন পথসভা ও জনসভায় অংশগ্রহণ করেন।

শামীম আহসান একইসঙ্গে এমপিওভুক্ত কিরণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে রয়েছেন। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন প্রধান শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও তিনি প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করছেন, যা প্রচলিত নির্বাচনী আচরণবিধি এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত বিধি-নিষেধের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

গত ২৪ জানুয়ারি রাতে পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের কাটাখালি এলাকায় বরগুনা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের নির্বাচনী জনসভা ছিল। সেখানে শামীম আহসান উপস্থিত থেকে উচ্ছৃঙ্খল, বিদ্বেষমূলক ও মানহানিকর বক্তব্য দেন। তিনি তার বক্তব্যের এক পর্যায়ে ডাকসু সম্পর্কে বলেন, ‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল। ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর পরিবর্তন করতে সফল হয়েছে।’

এ ধরনের বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকাসহ সারা বাংলাদেশের মানুষ ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তার এ ধরনের বক্তব্যে সারা বাংলাদেশে নির্বাচনি পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তোলে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ বিনষ্ট করে। ইতোপূর্বে বরগুনা-২ আসনে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির কাছে অভিযোগ নম্বর ৩/২০২৬ দায়ের করা হয়।

এরপর নির্বাচনি অনুষ্ঠান ও বিচারিক কমিটি বরগুনা-২ এর বিজ্ঞ-বিচারক শেখ ফারহান নাদীম, সিভিল জজ বরিশাল গত ২২ জানুয়ারি অভিযোগের সত্যতা পায়। এরপর মো. শামীম আহসানকে নির্বাচনি কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দেয়।

কিন্তু এই শামীম আহসান বরগুনা-২ এর নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রতিনিয়ত নির্বাচনি কার্যক্রম করে আসছেন। তিনি পুনরায় গত ২৪ জানুয়ারি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাটাখালি এলাকায় জামায়েত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের উপস্থিতিতে এবং তার প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় ও প্ররোচনায় ডাকসু নিয়ে নির্বাচনী জনসভায় এ মানহানিকর বক্তব্য দেন।

শামীম আহসান নির্বাচনি আচরণ বিধিমালা ২০২৫ এর বিধি ১৫ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন। নির্বাচনি জনসভায় এমপিওভুক্ত প্রধান শিক্ষক হয়েও অংশগ্রহণ করে ২০ এর ‘খ’ বিধি অনুযায়ী অপরাধ করেছেন যা দণ্ডনীয় অপরাধ। এমতাবস্থায় শামীম আহসানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক তাকে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি থেকে অব্যাহতি প্রদানের সদয় নির্দেশ দেওয়া হোক।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বরগুনা-২ জামায়াত ইসলামী প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের প্রার্থিতা নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায় বাতিল করা হোক। এতে নির্বাচনের সুষ্ঠুতা, নিরপেক্ষতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা পাবে।

এ অভিযোগপত্রের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে শিক্ষা সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা বরিশাল, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বরিশাল অঞ্চলের উপপরিচালক, বরগুনা জেলা শিক্ষা অফিসার এবং বরগুনা জেলা নির্বাচন অফিসারকে।

এর আগে রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে ডাকসু নিয়ে মো. শামীম আহসানের একটি অশালীন ও আপত্তিকর মন্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত হয়। এরপর সারা দেশে এই বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। তার বক্তব্যের তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৫৬

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১১৬

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৫৬

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১১৬