সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভোলা-৪ আসনে নির্বাচনী পরিবেশ ও প্রস্তুতি নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর প্রেস ব্রিফিং

মুশফিক হাওলাদার ভোলা: ভোলা-৪ আসনে নির্বাচনী পরিবেশ ও প্রস্তুতি নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও হাতপাখা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী প্রফেসর এ এম এম কামাল উদ্দিনের প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।  রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বাদ আছর আল বারাকা হজ্ব অফিসে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।  এসময় প্রফেসর এ এম এম কামাল উদ্দিন বলেন,  প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা, আপনারা নিশ্চয়ই অবগত […]

ভোলা-৪ আসনে নির্বাচনী পরিবেশ ও প্রস্তুতি নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর প্রেস ব্রিফিং

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০০:৫৪

মুশফিক হাওলাদার ভোলা:

ভোলা-৪ আসনে নির্বাচনী পরিবেশ ও প্রস্তুতি নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও হাতপাখা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী প্রফেসর এ এম এম কামাল উদ্দিনের প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বাদ আছর আল বারাকা হজ্ব অফিসে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। 

এসময় প্রফেসর এ এম এম কামাল উদ্দিন বলেন, 

প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা,

আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন ২৪ পরবর্তী বাংলাদেশ একটি পরিবর্তন চায়। পুরনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ফেলে দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চায়। এ লক্ষ্য সামনে রেখে ইসলাম, দেশ ও মানবতার কল্যাণে ইসলামপন্থীদের শক্তি একীভূত করার লক্ষ্যে ১ বক্স পলিসি বাস্তবায়নে সমমনা ও দেশের পক্ষের শক্তিকে নিয়ে মাঠে নামেন। 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে,বর্তমান রাজনৈতিক সংকটে ইসলামী শক্তির ঐক্যই ছিল জাতির একমাত্র আশার জায়গা। সেই উপলব্ধি থেকেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর সাহেব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সবাইকে নিয়ে পথচলা শুরু করেন। 

যাতে বিভক্ত ইসলামি ভোট একত্রিত হয়,

ইসলামপন্থীরা শক্ত অবস্থান নিতে পারে, ইসলামী রাজনীতির মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে এবং সবার সমন্বয়ে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ে ওঠে। 

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আজ সেই ১ বক্স নীতি বাস্তবায়নের বদলে ভেস্তে যাওয়ার পথে।

কেন ১ বক্স নীতি বাধাগ্রস্ত হলো? এর প্রধান কারণ হলো ১ বক্স পলিসিতে সবশেষে যুক্ত হওয়া একসময় ইসলামী রাজনীতিতে বিশ্বাসী বর্তমানে লিবারেল ডেমোক্রেটিতে বিশ্বাসী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। জামায়াতের অতি রাজনৈতিক উচ্চাভিলাস ও একচ্ছত্র আধিপত্যের মনোভাবই আজকের পরিস্থিতির সৃষ্টি।

দলটি যুগপৎ আন্দোলন সহ বিভিন্ন কাজ একসাথে ও আগ্রহের সাথে করলেও আসন সমঝোতার আলাপ আসলেই ভিন্ন চেহারা প্রদর্শন করতে শুরু করে। 

সমঝোতার নামে একতরফা শর্ত চাপানো, আসন বণ্টনে নিজেদের দলীয় প্রাপ্তিকেই অধিক প্রাধান্য দেয়া,

ইসলামী আন্দোলনসহ অন্যান্য দলগুলোকে সমমর্যাদার শরিক না ভেবে অধস্তন হিসেবে দেখার চেষ্টা করা যা ঐক্যের পরিপন্থী।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাথে বিগত দিনে যা যা ঘটেছে – 

 বৈঠকের সময় নিয়ে টালবাহানা, সিদ্ধান্তের টেবিলে উপেক্ষা, নামমাত্র কয়েকটি আসন—তাও ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যদের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো, মিডিয়ায় পরিকল্পিত অপপ্রচার, এনসিপিসহ কয়েকটি দলের সাথে গোপন আঁতাত, বিএনপির সাথে ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের ঘোষণা, এমনকি ভারতের সাথে গোপন বৈঠকের খবরও প্রকাশ পেল, এনসিপির মাধ্যমে পশ্চিমাদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের গুঞ্জন সহ বিভিন্ন অপ্রত্যাশিত বিষয় সামনে আসায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে এবং আজকের এ কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।  

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো—গত কয়েক দিনে একটি পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডা ক্যাম্পেইন চালানো হয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। তন্মধ্যে কয়েকটি  

১) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১৫০, ২০০ আসন চায় টাইপের কথা বারবার সামনে আনা হয়েছে। অথচ এমন কিছুই ঘটেনি। হ্যাঁ, দেশব্যাপী জরিপ চালিয়ে সম্ভাব্য ১৪৩ টি আসনকে A গ্রেডের উল্লেখ করে আলোচনার টেবিলে রাখা হয়। উদ্দেশ্য ছিল এখানে আলোচনা পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেয়া। কিন্তু আমরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম এমন গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মিডিয়ায় চলে আসলো! 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এটাকে ওই টেবিলে থাকা লোকদের চক্রান্ত হিসেবেই দেখছে। পরবর্তী ঘটনা প্রবাহ এর স্বপক্ষে শক্তিশালী দলিল হিসেবে কাজ করছে। 

যেমন-

২) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে প্রশ্নবিদ্ধ ও খাটো করে দেখানোর মানসে বারবার “কৃত্রিম জরিপ” ছড়ানো হয়। যেখানে ইসলামী আন্দোলনকে ইচ্ছাকৃতভাবে নগণ্য দেখানো হয়েছে। অথচ জরিপের কোনো পদ্ধতি, নমুনা বা গ্রহণযোগ্যতা প্রকাশ করা হয়নি। 

৩) শরিকদের বিরুদ্ধে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ কর্মী সমর্থকরা আরেকটি ন্যারেটিভ দাঁড় করিয়েছে যে “ জিততে পারে না” ন্যারেটিভ ছড়ানো

– উদ্দেশ্য: কর্মী ও সমর্থকদের মনোবল ভেঙে দেওয়া।বাস্তবতা: ইসলামী আন্দোলন বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নির্বাচনে লক্ষাধিক ভোট পেয়েছে। 

৪) এনসিপি অতিরঞ্জিতভাবে শক্তিশালী দেখানো- 

– যাতে ইসলামী আন্দোলনের আসন দাবি প্রশ্নবিদ্ধ করা যায়

– যা বাস্তব ভোটের হিসাবের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক

সোশ্যাল মিডিয়া ও মিডিয়ায় অপপ্রচার

৫) ইসলামী আন্দোলনকে অপ্রাসঙ্গিক প্রমাণের চেষ্টা- 

আসন সমঝোতার আলাপ আসার পরপরই শুরু হল ইসলামী আন্দোলনকে অপ্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা। ঐক্যের বদলে বিভ্রান্তি তৈরির কৌশল অবলম্বন করা হল। 

এই সবকিছু মিলিয়ে এটি স্পষ্ট—

এগুলো রাজনৈতিক মতপার্থক্য নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে ইসলামী আন্দোলনের রাজনীতিকে ‘নাই’ করে দেওয়ার অপচেষ্টা।

আজ কিছু প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে—

১) যদি সবাই একসাথে জিতবে, তবে কেন শরিকদের দুর্বল প্রমাণের চেষ্টা?

২) যদি সমঝোতা আন্তরিক হয়, তবে কেন ভেতরে ভেতরে ভিন্ন ন্যারেটিভ?

৩) ইসলামী আন্দোলন যদি জিততেই না পারে, তবে তাদের ভয় কেন?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জামায়াতকে দিতেই হবে।

ইসলামী আন্দোলনের অবস্থান- 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পরিষ্কারভাবে বলতে চায়—

আমরা ঐক্যের পক্ষে,

আমরা নিয়মতান্ত্রিক ও সম্মানজনক সমঝোতার পক্ষে,

আমরা ইসলামী রাজনীতিকে একক মালিকানায় পরিণত করার বিপক্ষে,

ইসলামী আন্দোলন কারও করুণা বা দয়ার রাজনীতি করে না। আমাদের রাজনীতি ইসলাম,দেশ ও মানবতার কল্যাণে। আগেও ছিল আগামীতেও থাকবে,ইনশাআল্লাহ। 

আমাদের আজকের এ সংবাদ সম্মেলনে আসায় আপনাদের প্রতি আন্তরিক মুবারকবাদ জানাই। আমরা আশা করি আপনারা আমাদের পাশে সবসময়ই থাকবেন,ধন্যবাদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এর বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।