মো: হোসেন ,মনপুরা (ভোলা) প্রতিনিধি:
ভোলা জেলা মৎস্য দপ্তর ও মনপুরা উপজেলা মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত বিশেষ কম্বিং অপারেশন–২০২৬-এর দ্বিতীয় ধাপের অভিযানে মেঘনা নদী থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিহুন্দী জাল জব্দ করা হয়েছে,
শনিবার মনপুরা উপজেলার মেঘনা নদীর ৪ নম্বর দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের লতাখালি ঘাট, আলমপুর রাস্তার মাথা ও জনতা বাজার মাছঘাট পয়েন্টে মনপুরা উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মোট ৫টি অবৈধ বিহুন্দী জাল আটক করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তবে অভিযানের সময় কোনো নৌকা বা জেলেকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে জব্দকৃত জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
বিশেষ কম্বিং অপারেশন–২০২৬-এর দ্বিতীয় ধাপের দ্বিতীয় দিনের অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ড. মো. মোতালেব হোসেন, পরিচালক (অভ্যন্তরীণ মৎস্য); মো. আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা শাখা); মো. মাহবুবুর রহমান, উপ-প্রকল্প পরিচালক, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প,
মৎস্য অধিদপ্তর, রমনা, ঢাকা; মো. ইকবাল হোসেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, ভোলা; মো. আবু মুছা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মনপুরা; উজ্জ্বল বনিক, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, মনপুরা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক জানান, মেঘনা নদীর জনতা বাজার, লতাখালি, রাস্তার মাথা ও পচা কোরালিয়া মাছঘাট পয়েন্ট থেকে ক্ষতিকর বিহুন্দী জাল জব্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, যারা বিহুন্দী জাল ব্যবহার করে ছোট মাছ ও পোনা শিকার করছে, তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
জেলেদের পাওয়া না গেলেও অবৈধ জাল শনাক্ত করে জব্দ ও ধ্বংস করা হয়। তিনি, আরও জানান, বিহুন্দী জাল ছোট মাছ ও পোনা ধ্বংস করে মৎস্য সম্পদের মারাত্মক ক্ষতি করছে। তাই এ ধরনের অবৈধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নদীতে অবৈধভাবে বিহুন্দী জাল দিয়ে মাছ ধরা বন্ধে স্থানীয় সচেতন মহলসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ইলিশসহ দেশীয় মাছের প্রজনন ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ভবিষ্যতেও মনপুরা উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে এ ধরনের বিশেষ কম্বিং অপারেশন জোরদার করা হবে।