সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

পটুয়াখালী-৩ আসনে হাসান মামুনের পক্ষে অনড় স্থানীয় নেতাকর্মীরা

এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে কার্যত উপেক্ষা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট প্রার্থী নুরুল হক নূরের পক্ষে কাজ করার নির্দেশ এলেও তাতে তেমন সাড়া দিচ্ছেন না তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান […]

পটুয়াখালী-৩ আসনে হাসান মামুনের পক্ষে অনড় স্থানীয় নেতাকর্মীরা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩:৪৩

এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে কার্যত উপেক্ষা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট প্রার্থী নুরুল হক নূরের পক্ষে কাজ করার নির্দেশ এলেও তাতে তেমন সাড়া দিচ্ছেন না তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে জোট প্রার্থী, ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরের পক্ষে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন। তবে বৈঠকেই স্থানীয় নেতারা স্পষ্ট করে জানান, তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের পাশেই থাকবেন।

জানা যায়, স্থানীয় বিএনপি’র আংশিক জোট প্রার্থীর পক্ষে কাজ করলেও একটি বড় অংশ জোট প্রার্থীর বিপক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের পক্ষে কাজ করছেন। বিষয়টি কেন্দ্রীয় বিএনপির নীতি নির্ধারকদের জানান আসন সমঝোতায় প্রার্থী হওয়া গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর।

এর পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা গলাচিপা ও দশমিনা সফর করে জোটের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দিলেও কার্যত তেমন ফল আসেনি। বরং স্থানীয় নেতা-কর্মীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের পক্ষে অবস্থান স্পষ্ট করছেন। এমনকি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও প্রকাশ্যে শপথ নিয়ে হাসান মামুনের পক্ষে কাজ করার জন্য মাঠে নেমেছেন।

উল্লেখ্য, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপির শক্তিশালী মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন। তবে তাকে মনোনয়ন না দিয়ে জোট শরিক দল গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরকে সমর্থন দেয় বিএনপি।

এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে গত ২৯ ডিসেম্বর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন হাসান মামুন। পরদিন ৩০ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় বিএনপি তাকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়। তবে বহিন্কারের আগেই তিনি পদত্যাগ করেছিলেন। এরপর একাধিকবার তাকে নির্বাচনী মাঠ থেকে সরানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি অনড় রয়েছেন।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ১১ জানুয়ারি গলাচিপা ও ১২ জানুয়ারি দশমিনা উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে বিশেষ দলীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্রি এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান টোটনসহ শীর্ষ নেতারা।

সভা চলাকালীন দলীয় কার্যালয়ের বাইরে হাসান মামুনের পক্ষে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা, যা স্থানীয় বিএনপির অবস্থান আরও স্পষ্ট করে তোলে। সভা শেষে সাংবাদিকদের বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, “কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মানতে হবে এবং সবাইকে জোট প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে হবে—এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

তবে গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আ. সত্তার হাওলাদার বলেন, “তৃণমূল নেতাকর্মীদের সম্মতিতেই হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। যত বড় চাপই আসুক, আমরা তার সঙ্গেই থাকব।”

দশমিনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম শানু সিকদার বলেন, “দশমিনা ও গলাচিপার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে হাসান মামুনের পক্ষে রয়েছে। সব বাধা উপেক্ষা করে তাকেই বিজয়ী করব।”

এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন বলেন, “গত ৩৭ বছর ধরে দশমিনা-গলাচিপার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম। তৃণমূল এবং জণগণের মতামতের ভিত্তিতেই তাদের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। কোন অবস্থাতেই আমার নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার সুযোগ নেই।”

তিনি আরও বলেন, “২৭ ডিসেম্বর আমি বিএনপির নির্বাহী কমিটির পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। এরপর ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন জমা দিয়েছি। তাই আমাকে বহিষ্কারের দাবি রাজনৈতিক প্রচারণা ছাড়া কিছু নয়।”

আগামী ১২ জানুয়ারির ভোটে বিপুল ভোটে বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।