মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টেণ্ডার ছাড়া মেহেরপুর গণপূর্তের কয়েক কোটি টাকার কাজ

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির নীতি উপেক্ষা করে মেহেরপুর গণপূর্ত বিভাগ (পিডব্লিউডি) কয়েক কোটি টাকার সরকারি ভবন সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে কোনো প্রকল্প অনুমোদন, দরপত্র আহ্বান কিংবা উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ছাড়াই। এসব কাজ বাছাই করা কয়েকজন ঠিকাদারের মাধ্যমে করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রফিকুল হাসানের […]

টেণ্ডার ছাড়া মেহেরপুর গণপূর্তের কয়েক কোটি টাকার কাজ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৩

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ

সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির নীতি উপেক্ষা করে মেহেরপুর গণপূর্ত বিভাগ (পিডব্লিউডি) কয়েক কোটি টাকার সরকারি ভবন সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে কোনো প্রকল্প অনুমোদন, দরপত্র আহ্বান কিংবা উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ছাড়াই।

এসব কাজ বাছাই করা কয়েকজন ঠিকাদারের মাধ্যমে করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রফিকুল হাসানের বিরুদ্ধে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলোকেই এই অনিয়মের আওতায় আনা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে জেলা জজ আদালত ভবন, পুলিশ সুপারের বাসভবন ও কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের বাসভবন, মুজিবনগর কমপ্লেক্স, বিআরটিএ অফিস, সদর হাসপাতাল, নির্বাহী প্রকৌশলীর নিজস্ব সরকারি বাসভবন, জেলা কারাগার, থানাভবনসহ অন্তত এক ডজন সরকারি দপ্তর।

এসব ভবনের সংস্কার ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজের কোথাও দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়নি, প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের কোনো নথি নেই, এমনকি কাজের কার্যাদেশও পাওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘জরুরি’ অজুহাত দেখিয়ে ধারাবাহিকভাবে একাধিক ভবনে কয়েক কোটি টাকার কাজ করানো কোনোভাবেই বৈধ নয়। সরকারি বিধিতে জরুরি ক্রয়ের সীমা, অনুমোদন ও পরবর্তী নিয়মিতকরণের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, যা এখানে অনুসরণ করা হয়নি।

সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) অনুযায়ী, জরুরি পরিস্থিতিতেও নির্দিষ্ট সীমার বেশি অর্থের কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু মেহেরপুরে সেই আইন কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ঠিকাদার ও গণপূর্ত বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী নিজ ক্ষমতাবলে নির্দিষ্ট কয়েকজন ঠিকাদারকে কাজ ভাগ করে দিচ্ছেন। কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে কারিগরি যোগ্যতা, দরপ্রস্তাব বা প্রতিযোগিতার কোনো মূল্য নেই; মূল্যবান হয়ে উঠেছে ‘ব্যক্তিগত সখ্য’।

এক ঠিকাদার বলেন, জেলায় অন্তত ৬০-৭০ জন বৈধ ঠিকাদার আছে। কিন্তু আমরা কেউ জানি না কোথায় কাজ হচ্ছে, কবে টেন্ডার হবে। সবকিছু হয় গোপনে। কয়েকজন ঠিকাদারকে দিয়েই কোটি কোটি টাকার কাজ করানো হচ্ছে।

শুধু ঠিকাদার নয়, গণপূর্ত বিভাগের ভেতরেও এই অনিয়ম নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আমাদের প্রকৌশলীরা জানেনই না কোন কাজের কত বাজেট, কীভাবে বরাদ্দ হচ্ছে। পরে যদি অডিট বা তদন্ত আসে, দায় পুরো বিভাগকে নিতে হবে। আরেক কর্মকর্তা বলেন, এভাবে নিয়ম ভেঙে কাজ করানো মানে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্নীতি ও মামলার পথ তৈরি করা।

উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল গাফফার বলেন, আমি ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা। ছাপোষা চাকরি করি। এক্স ইএন ও এসডিই স্যার আমাকে কাজ দেখাশোনার জন্য যেভাবে নির্দেশ দেন, আমি সেই নির্দেশই পালন করি মাত্র। কোনো কিছু জিজ্ঞাসা থাকলে আপনি এক্স ইএন ও এসডিই স্যারকে জিজ্ঞেস করতে পারেন। কাজের টেন্ডার হয়েছে অথবা হয়নি এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না।

তিনি জানান, তিনি এসপি বাসা, জজ আদালত ও সদর থানার শেড নির্মাণসহ মেরামতের কাজ দেখভাল করছেন।

উপসহকারী প্রকৌশলী ইমরান হোসেন বলেন, আমি মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল ও পিডব্লিউডি ভবনের সাইট দেখভাল করি। কিছুদিন আগে হাসপাতালে মেরামত কাজ শেষ হয়েছে। কাজের টেন্ডার হয়েছে কিনা, তা আমার জানা নেই। এক্স-ইএন এবং এসডি স্যারদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজের তদারকি করে থাকি। এছাড়া আর কিছু বলতে পারব না বলে তিনি মোবাইল কেটে দেন।

উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী জামাল উদ্দিন বলেন, অফিসের বস এক্স-ইএন স্যার। তিনি যেভাবে বলেন, সেভাবেই করতেই হয়।

অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রফিকুল হাসান দরপত্র ছাড়া বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা সংস্কারকাজ চলমান থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, “৫ আগস্টের পর জেলায় তিনজন পুলিশ সুপার ও দুইজন জেলা প্রশাসক বদলি হয়েছেন। নতুন কর্মকর্তারা এলে তাদের অফিস ও বাসভবন ব্যবহারযোগ্য করতে হয়।

তাছাড়া পুলিশ সুপারের বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডে দুটি এসিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। জরুরি অবস্থায় দরপত্রের সময় পাওয়া যায়নি।”

সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও বিচার বিভাগের ভবনগুলোতেই এই অনিয়ম হয়েছে।

ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের নীরব সম্মতি ছাড়া এসব কাজ কীভাবে চলতে পারে? যখন প্রশাসনের ভবনই অনিয়মের মাধ্যমে সংস্কার হয়, তখন সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার বা দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ে আস্থা রাখবে কীভাবে?

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।