মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টার্গেট নির্বাচন! আওয়ামীলীগ হয়ে উঠেছে কথিত সাংবাদিক, টাকা দিয়ে চলছে পূর্ণবাসন

একটি রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম সম্মানজনক পেশা হচ্ছে সাংবাদিকতা। তবে অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে,সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ করা গেছে,নাটোরের নলডাঙ্গায় ইদানিং সাংবাদিক হওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। সেখানে কার্যকম নিষিন্ধ আওয়ামীলীগ এছারা মেকার,সেলর্সম্যান,দোকানদার,হয়ে উঠেছে,কথিত সাংবাদিক! এমন কি একটি অফিস থেকে তাদের নিয়মিত অর্থ প্রদানও করা হচ্ছে।

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০০:০২

মনিরুল ইসলাম তালুকদার, নাটোর

একটি রাষ্ট্র ও সমাজের অন্যতম সম্মানজনক পেশা হচ্ছে সাংবাদিকতা। তবে অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে,সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ করা গেছে,নাটোরের নলডাঙ্গায় ইদানিং সাংবাদিক হওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। সেখানে কার্যকম নিষিন্ধ আওয়ামীলীগ এছারা মেকার,সেলর্সম্যান,দোকানদার,হয়ে উঠেছে,কথিত সাংবাদিক! এমন কি একটি অফিস থেকে তাদের নিয়মিত অর্থ প্রদানও করা হচ্ছে।

অশিক্ষিত,সার্টিফিকেট বিহীন,ভূয়া তথ্য অফিসে কতিপয় কিছু নামধারি সাংবাদিক আইডি কার্ড এনে কোমরে ঝুলিয়ে,গাড়ীর সামনে প্রেস লিখে উপজেলায় ঘুরঘুর করছে। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে এদেরকে দেখা যায়। নামধারী এসব সাংবাদিকদের মধ্যে কেউ কেউ বিভিন্ন অর্পকমের সাথে জড়িত বলে জানা যায়।

তাছারা রাজনৈতিক দলের নেতারা তাদের ফাঁদে পা দিয়ে হচ্ছে বিতকৃত। আওয়ামীলীগের একটি চক্র তাদের,রাজনৈতিক পরিচয় গোপন রেখে,প্রসাশন সাথেও করেছে মিটিং। তাদের নিয়মিত দেখা যাচ্ছে,বিভিন্ন সংস্থার কর্মশালায়।

আবার অনেকে নিজের মিডিয়াই খবর প্রকাশ না করে প্রতিদিনের একাধিক ঘটনা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছে। এসব স্ট্যাটাস কিছু কিছু ফেসবুক বন্ধু লাইক কমেন্ট করে বিরুপ মন্তব্য করে কথিত সাংবাদিকদেরকে উৎসাহ দিচ্ছে। এরা কারো কারো সাথে বা সন্মানী ব্যক্তিদের সাথে সেলফি বা ছবি তুলে ফেসবুকে দিয়ে নিজেদেরকে বড় সাংবাদিক প্রচার করে। কিন্তু সেসব রাজনৈতিক নেতারা জানেনই না,তারা গোপনে একটি দলের এজেন্ট হিসাবে কাজ করছে।

গণহারে বেড়ে যাওয়া লেবাসধারী এসব লোকেরা রাস্তায় বাহির হলেই বীরদর্পে অকপটে পরিচয় দেয় আমিও সাংবাদিক। যার ফলে সাধারন মানুষ সংবাদকর্মীদের এখন উপহাস করে অকপটে বলে ফেলেন ঐ যে সাংঘাতিক। তাছাড়া এসব কথিত সাংবাদিকদের ফাঁদে পড়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এমন কি তারা প্রসাশনের দাপট দেখিও চলছে।

বিভিন্ন গ্রামে মাদক,নারী ঘটিত বিষয়সহ ইত্যাদি ঘটনায় বিশেষ সুবিধা নিতে সাংবাদিকতায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে এক শ্রেণির ব্যাক্তিরা। তারা মনে করেন,সাংবাদিক হলেই প্রশাসনে ও পুলিশ বিভাগে বিশেষ সুবিধা নেওয়া যায়। যার ফলে এ পেশায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে তারা। সম্প্রতি সময়ে পুলিশ প্রসাশনকে ভুয়া পরিচয় দিয়ে,মিটিং করেছে,কার্যকম নিষিন্ধ আওয়ামীলীগের একটি চক্র।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মোটরসাইকেলে প্রেস লিখে সাংবাদিকের পরিচয় দিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন বেশ কিছু কার্ডধারী সাংবাদিক। অনেকে দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকা,নিউজ পোটাল আইডি কার্ড সংগ্রহ করে সাংবাদিকের পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছেন। আসলে তারা কি সাংবাদিক না সাংঘাতিক!অনেক মহলের প্রশ্ন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়,নিজেদের অনেক অর্পকম আড়াল করতে অনেকে হয়েছেন কার্ডধারী সাংবাদিক। তাদেরকে নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে,বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন। এদিকে সাংবাদিক পরিচয় বহনকারী কার্ডধারী সাংবাদিকরা স্থানীয় গন্যমান্য কয়েকজন ব্যক্তির সাথে সখ্য গড়ে তুলেছে । এ ব্যাপারে বিভিন্ন মহল এসব কার্ডধারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে সরকার বিরোধী একটি চক্র,বিভিন্ন পরিচয়ে নির্বাচনী মাঠে সরকার নিষিন্ধ রাজনৈতিক দলসহ শক্তিশালী মহলকে মাঠে নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের অন্যতম সদস্য ও রাজশাহী অঞ্চলের সহকারী পরিচালক,সাবেক নলডাঙ্গা উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান বলেন,সাংবা‌দিকতা মহান পেশা। এই পেশাটা‌কে যত্রতত্র পাত্রস্ত ক‌রে নষ্টামীর পর্যা‌য়ে নি‌য়ে যাওয়া হ‌চ্ছে‌। সমা‌জের কিছু মানুষও এর দায় এড়া‌তে পা‌রে না। মূলধারার সাংবাদিক ও প্রশাসনের ঐক্যমত থাকা জরুরী। যে হারে নাটোরের নলডাঙ্গায় কার্ডধারীদের দৌরাত্ম বাড়ছে তাতে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। সাইকেলে বা গাড়ীতে “PRESS” লেখা নিষেধ আরও কয়েক বছর আগে থেকেই। শুধু মিডিয়ার নাম লিখতে পারবেন। মূল ধারার সাংবা‌দিকরা মোটরসাই‌কে‌লের সাম‌নে(প্রেস) লিখে না। কোম‌রে কার্ড ঝু‌লি‌য়ে প্রশাস‌নের সাম‌নে ভাব ধ‌রে না। সাধারণ মানুষ‌কে নি‌জের প‌রিচয় উচ্চক‌ণ্ঠে সাংবা‌দিক উ‌ল্লেখ ক‌রে না।

মূলধারার সাংবা‌দিক‌দের লেখনী ও কাজেই প্রমান ক‌রে তার প‌রিচয় কি। নামসর্বস্ব ভুঁই‌ফোঁড় গণমাধ্যম এর প‌রিচয় দি‌য়ে টাকার বি‌নিম‌য়ে প্রেসকার্ড অর্জন ক‌রে অনেকে বিপথগামী হ‌য়ে যা‌চ্ছে। এরা বু‌ঝে না বু‌ঝে নি‌জেদের অ‌তির‌ঞ্জিত উপস্থাপনা কর‌তে গি‌য়ে গণমাধ্যম‌কে বিত‌র্কিত ক‌রে দি‌চ্ছে।

দৈনিক সকাল পত্রিকার নাটোর প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম ডাবলু বলেন,যারা সাংবাদিকতায় আছেন তাদের অনেকেই কোন কোন সময় একটা কার্ড এনে দেওয়ার জন্য কাছের মানুষের রিকুয়েস্ট পান। কিন্তু সাংবাদিকতা যে কার্ডে নয় বাই নেইমের নিউজে পরিচয় তা বুঝানোও মুসকিল। মূল ধারার সাংবা‌দিক‌দের দেখ‌লে প্রশাসন ঠিকই আন্দাজ কর‌তে পা‌রে। সাংবা‌দিকরাও যু‌ক্তিসঙ্গত বিষয়া‌দি নি‌য়ে প্রশাস‌নে কর্মরত ব্য‌ক্তি‌দের সা‌থে আলাপ ক‌রেন। কিন্তু,ইদানিং নলডাঙ্গায় সাংবাদিক হওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

এশিয়ান টিভি ও দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার নলডাঙ্গা প্রতিনিধি বলেন,গুরুত্বপূর্ণ কোন ক্ষেত্রে তাদের কোন ভূমিকা না থাকলেও বিভিন্ন প্রোগামে কার্ডধারীদের উপস্থিতি ব্যাপক,এক কথায় তারা কর্পোরেট সাংবাদিকতায় মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। এই কার্ডধারীরা কোন জনদূর্ভোগ বা এলাকার সমস্যা নিয়ে তারা কোন সংবাদ প্রকাশ করেনা। তাদের কাছে নেই কোন তথ্য নেই কোন উপাত্ত। তবুও তারা সাংবাদিক। অনেকে দেওয়ালে নিজেকে মেকার সাংবাদিক দিয়ে প্রচারনা করে।

এনটিভি অনলাইন ও দৈনিক দিনকাল পত্রিকার নলডাঙ্গা প্রতিনিধি রানা আহম্মেদ বলেন,যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক চালানোর সঠিক নিয়ম জানে না,তারা যদি জাতির বিবেক সেজে নাম সর্বস্থ রেজিঃষ্টেশন বিহীন অনলাইন পত্রিকার কার্ড নিয়ে সমাজের কোন উপকারে আসবে সেটা ভাবনার বিষয়! সাংবাদিকতার মত মহৎ এ পেশাকে পুঁজি করে যারা ব্যাক্তিগত সুবিধা আদায় করছে,তাদের তালিকা তৈরি করে আইনের আওতায় আনা দরকার। সাংবাদিকতা করতে হলে অবশ্যই নিয়ম কানুন মেনে করুন।

বৈশাখী টিভির নাটোর প্রতিনিধি মোঃ ইসাহক আলী বলেন,অননুমোদিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল,আইপি টিভি গুলো অনভিজ্ঞ ধান্দাবাজ প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে,তাতে অবিলম্বে গণমাধ্যমগুলোর উপরে আস্থা হারাবে জনগণ। এখনই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ জরুরী প্রয়োজন।

এখন টিভির নাটোরের রিপোর্টার মাহবুব হোসেন বলেন,নাম সর্বস্ব অনলাইন পত্রিকার কারনে সাংবাদিক নামধারিদের দৌরাত্ব বেড়েছে। এতে করে প্রকৃত সাংবাদিকরা কোনঠাসা হয়ে পড়ছে। কেউ কেউ কার্ডধারি সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অপর্কম করছে। অসাংবাদিকদের কারনে মহান পেশা কুলষিত হচ্ছে। এদের লাগাম এখনই টেনে ধরতে হবে।

নাটোর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তর এর নাটোর প্রতিনিধি শহীদুল হক সরকার বলেন,সাংবাদিকতার মতো মহান পেশায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা খুবই জরুরী। অনেকেই এসবের ধার ধারেন না। কেউ কেউ আবার দুটি বাক্য লিখলে তার মধ্যে পাঁচটি ভাষাগত ভুল করেন,তাঁরাও এখন বড় মাপের সাংবাদিক! সাংবাদিকতা পেশার যে কতগুলো “Code of ethics” রয়েছে সে বিষয়ে সকলের সচেতন হওয়া উচিত। বেশির ভাগ সাংবাদিকই আবার বিভিন্ন ব্যক্তির অনুসারী হিসেবে পরিচিত হয়ে গর্ব অনুভব করছেন। সাংবাদিকতা পেশার প্রতি মানুষের যে সম্মানবোধ ছিলো সেটা পূনঃরুদ্ধার করতে প্রকৃত সাংবাদিকদের সচেতনতার সাথে ঐক্যবদ্ধ হওয়া দরকার।

নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা মো.আল এমরান খাঁন বলেন,আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্নয় করে,প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।