পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, “আমরা বলতে পারি বিজয় আমাদের হয়েই গেছে, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু আনুষ্ঠানিকতা হবে।”
রবিবার রাতে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামে হযরত গেদু শাহ চিশতি (রহ.)-এর ৪৯তম বাৎসরিক ওরশ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, “আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই, আপনাদের নিয়ে কাজ করতে চাই। এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে বিএনপি, গণঅধিকার পরিষদ, আওয়ামী লীগ, জামায়াত ও ইসলামী দলের মানুষ একসঙ্গে অংশ নেবে—এটাই আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, “আমি দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলাকে একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এখানে সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ থাকবে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি তৈরি হবে। আমি ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া মাহফিলে যাই। এ ধরনের আয়োজন আমাদের সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যের অংশ।”
গণতান্ত্রিক অধিকার প্রসঙ্গে নুর বলেন, “প্রত্যেক মানুষের মতপ্রকাশ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান করার স্বাধীনতা আছে। কাউকে গায়ের জোরে বাধা দেওয়া, হামলা করা কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার রাজনীতি আমরা করতে চাই না।”
চাঁদাবাজি ও জনভোগান্তির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনসহ সবাই ব্যবসা করেন। আমি ৫ আগস্টের পর থেকেই বলেছি—‘ব্যবসা পরিচালনা করতে কাউকে এক পয়সাও চাঁদা দিতে হবে না।’ আমাদের দলের কেউ যদি চাঁদাবাজি বা জনগণের ভোগান্তির সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তার কোনো ছাড় নেই।”
ওরশ মাহফিলে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।