বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

নির্বাচন হলে কি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে, এমন বইলেন না : চিফ প্রসিকিউটরকে ট্রাইব্যুনাল

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ। এ মামলায় অপর আসামি হিসেবে রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তিনটি অভিযোগে অভিযোগ গঠনের আবেদন করেন […]

নিউজ ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৮

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ। এ মামলায় অপর আসামি হিসেবে রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তিনটি অভিযোগে অভিযোগ গঠনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

প্রসিকিউশনের শুনানি শেষে আসামি পলকের পক্ষে আইনজীবী লিটন আহমেদ সময় চেয়ে বলেন, কারাগারে প্রিভিলেজ কমিউনিকেশনের সময় ল্যাপটপ ও পেনড্রাইভ নিতে না দেওয়ায় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। তিনি অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য আরও সময় চান।

এ সময় চিফ প্রসিকিউটর অভিযোগ করেন, আসামিপক্ষ বিচারকার্য বিলম্বিত করতে চাইছে এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিচার বন্ধের আশা করছে। এই বক্তব্যে ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ বলেন, “নির্বাচন হলে কি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে—এমন বইলেন না।”

পরিস্থিতি শান্ত করতে ট্রাইব্যুনাল চিফ প্রসিকিউটরকে এমন মন্তব্য থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়। পরে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান জানান, আসামিপক্ষ আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় পাবে এবং ওইদিন অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

আইন-আদালত

হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আপিল শুনানি পেছালো

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা আপিল আবেদনের শুনানি পিছিয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ২৮ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্ট-এর আপিল বিভাগ। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে একই দিনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:০৬

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা আপিল আবেদনের শুনানি পিছিয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ২৮ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্ট-এর আপিল বিভাগ।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে একই দিনে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতও শুনানির জন্য নতুন দিন নির্ধারণ করেছিলেন।

উল্লেখ্য, কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী-এর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। তবে হাইকোর্ট রিটটি খারিজ করে দেন।

হাইকোর্টের সেই আদেশের বিরুদ্ধে মুন্সীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল আবেদন করেন তার আইনজীবী সাইফুল্লাহ আল মামুন। গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) চেম্বার জজ আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখান থেকেই বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়।

আইনি প্রক্রিয়ার এই অগ্রগতির দিকে নজর রাখছেন কুমিল্লা-৪ আসনের ভোটার ও রাজনৈতিক মহল। আগামী ২৮ জানানির শুনানিকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী পরিস্থিতিতে নতুন মোড় আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আইন-আদালত

ভারতে অবস্থানরত হাসিনাসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সরকারের ৩০৯ কোটি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও একাধিক মন্ত্রীসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এই আদেশ দেন। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজিল হাসান নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:৫৬

সরকারের ৩০৯ কোটি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও একাধিক মন্ত্রীসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

রোববার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এই আদেশ দেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজিল হাসান নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত সাবেক মন্ত্রীরা হলেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসাইন, ওবায়দুল কাদের, আনিসুল হক, মো. আব্দুল মান্নান। অন্যরা হলেন এম এ এন সিদ্দিক, রফিকুল জলিল, মোহাম্মদ শফিকুল কারীম, মো. ফিরোজ ইকবাল, ইবনে আলম হাসান, মো. আফতাব হোসাইন খান, মো. আব্দুস সালাম, মনির উজ জামান চৌধুরী, সেলিনা চৌধুরী, মো. ইকরাম ইকবাল।

নিষেধাজ্ঞার আবেদনে বলা হয়েছে, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম লিমিটেড শতকরা ১৭.৭৫ শতাংশ হারে ৫ বছর মেয়াদে ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বিল গ্রহণ করে। এতে সরকারের ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়।

আসামিরা প্রতারণার মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে আত্মসাৎ করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।

মামলার এজাহারনামীয় আসামিরা দেশত্যাগ করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। এতে মামলার তদন্ত কার্যক্রম বাধাগ্রস্তসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই মামলা সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন। শুনানি শেষে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।

আইন-আদালত

ফয়াসলই আমাকে হাদির কাছে নিয়ে গিয়েছিল : ফয়সালের সহযোগী

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কবির আদালতে দাবি করেছেন, তিনি ফয়সালের গাড়ি চালাতেন এবং ফয়সালই তাকে হাদির কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। ঘটনার বিষয়ে এর বাইরে তিনি আর কিছু জানেন না বলে আদালতকে জানান কবির। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে রিমান্ড শুনানিতে এসব কথা বলেন তিনি। শুনানি […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:০২

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কবির আদালতে দাবি করেছেন, তিনি ফয়সালের গাড়ি চালাতেন এবং ফয়সালই তাকে হাদির কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। ঘটনার বিষয়ে এর বাইরে তিনি আর কিছু জানেন না বলে আদালতকে জানান কবির।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে রিমান্ড শুনানিতে এসব কথা বলেন তিনি। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামানের আদালত কবিরের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত রোববার রাতে নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ৫৩ মিনিটে রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়—আসামি কবির ফয়সাল করিম মাসুদসহ অন্যদের সঙ্গে ওসমান হাদির কালচারাল সেন্টারে যান। হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি কবিরের মালিকানাধীন বলে উল্লেখ করেন তিনি। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ড প্রয়োজন বলে আদালতকে অবহিত করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. কাইয়ুম হোসেন নয়ন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বলেন, আসামি কবির আদাবর থানার স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক। মোটরসাইকেলযোগে হাদিকে গুলি করা হয়েছে এবং তার জীবন এখনো সংকটাপন্ন। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর সংশ্লিষ্টদের ছবি ভাইরাল হলে কবির আত্মগোপনে যান। হত্যাচেষ্টার সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানতে রিমান্ড প্রয়োজন।

এ সময় বিচারক কাঠগড়ায় দাঁড়ানো কবিরের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “স্যার, আমি ১৮ দিন আগে উনার (ফয়সাল) গাড়ি ও পাঠাও চালাতাম। উনি আমাকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেতেন। উনিই আমাকে হাদির কাছে নিয়ে যান। ফুটেজে আমাকে দেখা গেছে—এর বাইরে আমি আর কিছুই জানি না।”

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেল আরোহীরা ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়েছে। একই ঘটনায় মোটরসাইকেলের মালিক মো. আব্দুল হান্নানসহ ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু ও বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমার রিমান্ডও মঞ্জুর করেছেন আদালত।