আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের নির্বাচনি ইশতেহার প্রণয়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, এবারের ইশতেহার কেবল নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং রাষ্ট্র পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি সমন্বিত রূপরেখা হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।
ইশতেহারে তরুণ ও যুবকদের কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রথম ১৮ মাসের মধ্যে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষিত বেকারদের জন্য বেকার-ভাতা চালুর ঘোষণা আসছে। পাশাপাশি প্রতিটি জেলায় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) গড়ে তোলা, স্টার্টআপ ফান্ড চালু, আইটি ও আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ এবং নতুন বিদেশি শ্রমবাজার অনুসন্ধানের প্রতিশ্রুতি থাকছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র ভিশন–২০৩০ এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর ৩১ দফার আলোকে ইশতেহারটি প্রস্তুত করা হচ্ছে।
অর্থনীতি ও বিনিয়োগ খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো খাতে আস্থা পুনরুদ্ধার এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর জোর দেওয়া হবে। নির্বাচনি প্রচার শুরুর পর একটি বড় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইশতেহার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে।