ভারতীয় নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের পর্যটক ভিসা প্রদান সীমিত করেছে সরকার। কলকাতা, মুম্বাই ও চেন্নাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশের উপদূতাবাসগুলো থেকে বুধবার (৭ জানুয়ারি) থেকে পর্যটক ভিসা ইস্যু সীমিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিবিসি বাংলা।
এর আগে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশন এবং আগরতলায় অ্যাসিস্ট্যান্ট হাইকমিশনের দপ্তর থেকে পর্যটক ভিসা প্রদান কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে শুধু গুয়াহাটিতে অবস্থিত বাংলাদেশের অ্যাসিস্ট্যান্ট হাইকমিশনের দপ্তর থেকে সীমিত পরিসরে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশের ভিসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি। তবে কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাসের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, বুধবার থেকেই পর্যটক ভিসা ইস্যু কার্যক্রম সীমিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছেন, বাণিজ্যিক ভিসা ও অন্যান্য ক্যাটাগরির ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে অবস্থিত চারটি ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই সময় ঢাকায় ভারতীয় ভিসা সেন্টারের সামনেও বিক্ষোভ দেখা যায়। এই পরিস্থিতির পরপরই ভারত সরকার সাময়িকভাবে বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।
পরবর্তীতে কিছু ভিসা সেন্টার পুনরায় চালু করা হলেও ভারত জানিয়ে দেয়, মেডিকেল ভিসা ও বিশেষ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আপাতত অন্য কোনো ক্যাটাগরির ভিসা দেওয়া হবে না। বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় পর্যটক ভিসা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের পর্যটক ভিসা সীমিত করার সিদ্ধান্তকে পারস্পরিক কূটনৈতিক উত্তেজনার ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?