ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুর রাজনৈতিক নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের চার নেতা দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের ভাবুকদিয়া গ্রামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সব পদ-পদবি থেকে পদত্যাগ করেন এবং বিএনপিতে যোগদানের ঘোষণা দেন।
পদত্যাগকারীরা হলেন, সালথা উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি মো. পাভেল রায়হান, উপজেলা কৃষকলীগের সহসভাপতি আব্দুর রাজ্জাক খান, গট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল ওহাব মোল্যা এবং ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য মো. সাইফুল খান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. পাভেল রায়হান বলেন, ২০১৫ সালে তৎকালীন প্রভাবশালী এক নেতার প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপে কোনো সম্মেলন ছাড়াই মনগড়া কমিটির মাধ্যমে তাকে উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, আজ আমরা চারজন স্বেচ্ছায় ও বিবেকের তাড়নায় আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করছি।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশ পুনর্গঠনের রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুর নীতি, আদর্শ ও নেতৃত্বে অনুপ্রাণিত হয়েই তারা বিএনপিতে যোগদানের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকুর পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তারা।
এক প্রশ্নের জবাবে পদত্যাগী নেতারা বলেন, তাদের ওপর কোনো ধরনের চাপ বা জোরজবরদস্তি ছিল না। শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু কিছুদিন আগে তাদের বাড়িতে আসার পর থেকেই তারা বিএনপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান।