মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গাজীপুর–৫ এ খায়রুল হাসানই ঐক্যজোটের একমাত্র ভরসা

গাজীপুর–৫ আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক ময়দান এখন কার্যত উত্তাল। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, ভোটারদের মনোভাব এবং সর্বস্তরের জনমত বিশ্লেষণ করলে একটি বিষয় এখন প্রশ্নাতীত সত্যে পরিণত হয়েছে—এই আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ও জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মো. খায়রুল হাসান ছাড়া ১২ দলীয় ঐক্যজোটের বিজয়ের কোনো বাস্তবসম্মত পথ নেই।জনতার রায় স্পষ্ট দাঁড়িপাল্লা ছাড়া জয়ের সমীকরণই নেই।

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:২৫

মোঃআতেফ ভূঁইয়া, গাজীপুর সদর

গাজীপুর–৫ আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক ময়দান এখন কার্যত উত্তাল। মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, ভোটারদের মনোভাব এবং সর্বস্তরের জনমত বিশ্লেষণ করলে একটি বিষয় এখন প্রশ্নাতীত সত্যে পরিণত হয়েছে—এই আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ও জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মো. খায়রুল হাসান ছাড়া ১২ দলীয় ঐক্যজোটের বিজয়ের কোনো বাস্তবসম্মত পথ নেই।জনতার রায় স্পষ্ট দাঁড়িপাল্লা ছাড়া জয়ের সমীকরণই নেই।

কালীগঞ্জ, পূবাইল ও বাড়িয়া—এই তিন অঞ্চলে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা শুধু জনপ্রিয়তা নয়, বরং একটি নীরব গণভোটে রূপ নিয়েছে। গ্রামগঞ্জ, হাটবাজার, চায়ের দোকান, অটোরিকশা স্ট্যান্ড, মসজিদ প্রাঙ্গণ—সব জায়গায় উচ্চারিত হচ্ছে একটিই বাক্য—

গাজীপুরে যদি একটি আসন আসে, তা হবে গাজীপুর–৫; আর সেটি দাঁড়িপাল্লা ছাড়া সম্ভব নয়। সব পেশার ভোটার এক কণ্ঠে কৃষক আব্দুল মালেক বলেন,আমরা মাটির মানুষ। কে আমাদের দুঃখ বোঝে জানি। খায়রুল হাসান ছাড়া কাউকে চাই না।

অটোরিকশাচালক রফিকুল ইসলাম বলেন,দাঁড়িপাল্লা না থাকলে ভোট দিতে যাব না—এই সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নিয়েছি।

ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান বলেন, চাঁদাবাজি আর দখলদারির বিরুদ্ধে যে মানুষটা সবসময় কথা বলেছে, সে খায়রুল হাসান। এই আসনের জয়ের চাবিকাঠি তার হাতেই।

শিক্ষক নাসরিন আক্তার বলেন, নারী ভোটারদের আস্থা অর্জন করা সহজ নয়। খায়রুল হাসান সেটা পেরেছেন।

মসজিদের ইমাম মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ কাওসার হোসেন বলেন,ত্যাগী, সৎ ও আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক খায়রুল হাসান। দাঁড়িপাল্লা মানেই বিশ্বাস। উনাকে প্রার্থী না করা হলে ঐকজোটের পরাজয় নিশ্চিত।

তরুণ ভোটার সাইফুল ইসলাম বলেন,

আমরা ভোগবাদী রাজনীতি চাই না। আমরা চাই ত্যাগের রাজনীতি,যেটা খায়রুল হাসান করেছেন।

গৃহিণী রহিমা খাতুন বলেন,ঘরে ঘরে এসে সালাম দেওয়া মানুষটাকেই আমরা এমপি হিসেবে দেখতে চাই।

ত্যাগের রাজনীতি, জনতার শক্তি

ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সম্মুখ সারিতে থাকা মো. খায়রুল হাসান হামলা-মামলা উপেক্ষা করে রাজপথে থেকেছেন বছরের পর বছর। তিন দফায় কারাবরণ, দীর্ঘ ১৫ বছর নিজ বাসায় অবস্থান করতে না পারা—এই ত্যাগ তাকে কাগুজে নেতা নয়, বরং জনতার পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়,ভুল সিদ্ধান্ত মানেই নিশ্চিত পরাজয়।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন মহলের মতে, বিএনপির শক্ত প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক মিলন-এর বিপরীতে দাঁড়িপাল্লা ছাড়া অন্য কোনো প্রতীক দাঁড় করানো মানেই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। মাঠে নিষ্ক্রিয় প্রার্থী সামনে আনলে সেটি পরিকল্পিতভাবে আসনটি হারানোর শামিল বলেই মনে করছেন ভোটাররা।

চায়ের দোকানদার জয়নাল আবেদিন সোজাসাপ্টা ভাষায় বলেন,খায়রুল হাসান বাদ মানেই এই আসন হাতছাড়া।

রাজনৈতিক বাস্তবতা এখন পরিষ্কার—

১২ দলীয় ঐক্যজোট যদি গাজীপুর–৫ আসনে জয় চায়, তবে জনতার কণ্ঠ ও দাবি উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. খায়রুল হাসান শুধু একজন প্রার্থী নন—তিনি এখন গাজীপুর–৫ এর জনতার রায়, জনতার প্রতীক ও জনতার আশা। ভোটারদের প্রশ্ন, জয়ের জন্য ঐকজোট করে খায়রুল হাসানকে বাদ দিয়ে পরাজয় নিশ্চিত করবে কার স্বার্থে?

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।