বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

খুলনা-১ আসনে সবচেয়ে সম্পদশালী প্রার্থী জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা-১ আসন (বটিয়াঘাটা–দাকোপ) এলাকায় প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত হলফনামা অনুযায়ী, এই আসনে সবচেয়ে সম্পদশালী প্রার্থী হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এই প্রার্থীর মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২০ কোটি ৬৬ লাখ টাকার […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা-১ আসন (বটিয়াঘাটা–দাকোপ) এলাকায় প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত হলফনামা অনুযায়ী, এই আসনে সবচেয়ে সম্পদশালী প্রার্থী হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী।

দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এই প্রার্থীর মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২০ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বেশি।

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে খুলনা-১ আসনে নির্বাচনি লড়াইয়ে টিকে থাকা ১০ প্রার্থীর মধ্যে অন্যতম কৃষ্ণ নন্দী। হলফনামা অনুযায়ী, তার অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১৯ কোটি ২ লাখ টাকা এবং স্থাবর সম্পদ রয়েছে ১ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পদের বড় অংশই নগদ অর্থ ও ঋণ হিসেবে দেখানো হয়েছে, যার পরিমাণ ১৮ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

এ ছাড়া তার মালিকানায় রয়েছে ৪৭ লাখ টাকা মূল্যের একটি নিশান জিপ ও একটি টয়োটা প্রোভোক্স প্রাইভেট কার, ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার এবং ডুমুরিয়ার চুকনগরে অবস্থিত দুটি তিনতলা পাকা ভবন, যার মূল্য ধরা হয়েছে ২৮ লাখ টাকা। পেশায় ব্যবসায়ী কৃষ্ণ নন্দী এসএসসি পাস এবং সর্বশেষ বছরে তিনি আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন ৩০ হাজার ৮০০ টাকা।

অন্যদিকে বার্ষিক আয়ের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত প্রার্থী আমির এজাজ খান। তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। হলফনামা অনুযায়ী, তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। ব্যবসা, কৃষি খাত, এফডিআর এবং মূলধনী লাভ থেকে তিনি এই আয় করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন।

আমির এজাজ খান বিএ পাস এবং পেশায় ব্যবসায়ী। তার নামে মোট ১৩টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি মামলায় তিনি খালাস পেয়েছেন এবং কিছু মামলা প্রত্যাহার হয়েছে। বর্তমানে কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে।

অস্থাবর সম্পদের তালিকায় রয়েছে নগদ অর্থ, ব্যাংক জমা, এফডিআর, যানবাহন, স্বর্ণালংকার, ইলেকট্রনিক পণ্য ও আসবাবপত্র। সর্বশেষ বছরে তিনি আয়কর দিয়েছেন দেড় লাখ টাকা।

হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, খুলনা-১ আসনে সম্পদ ও আয়ের দিক থেকে প্রার্থীদের মধ্যে স্পষ্ট বৈষম্য রয়েছে, যা নির্বাচনি মাঠে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।