বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

কক্সবাজারে ৪ টি আসনে ১৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ, বাতিল ৫

‎কক্সবাজারের ৪ টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি ২৩ প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অপর ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের বাতিল করা হয়েছে। ‎শুক্রবার ও শনিবার দুইদিন পূর্ব নির্ধারিত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে কক্সবাজার জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এই ঘোষণা দেন। ‎এর মধ্যে শনিবার কক্সবাজার ৩ ও ৪ […]

কক্সবাজারে ৪ টি আসনে ১৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ, বাতিল ৫

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:৪৮

‎কক্সবাজারের ৪ টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি ২৩ প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অপর ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের বাতিল করা হয়েছে।

‎শুক্রবার ও শনিবার দুইদিন পূর্ব নির্ধারিত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে কক্সবাজার জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এই ঘোষণা দেন।

‎এর মধ্যে শনিবার কক্সবাজার ৩ ও ৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করা হয়।

‎সকালে কক্সবাজার ৩ কক্সবাজার সদর, রামু-ঈদগাঁও আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইকালে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি ৬ প্রার্থীর মধ্যে ভোটার স্বাক্ষরকারি তথ্যে ভুল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইলিয়াছ মিয়ার মনোনয়নপত্রটি বাতিল করা হয়।

‎একই আসনের অপর ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হয়েছে। এরা হলেন, বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল, জামায়াতের প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুর, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আমিরুল ইসলাম, লেবার পার্টির প্রার্থী জগদীশ বড়ুয়া, আমজনতা দলের প্রার্থী নুরুল আবছার।

‎শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয় কক্সবাজার ৪ উখিয়া-টেকনাফ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই। এতে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি ৫ প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। 

‎এরা হলেন, বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী, জামায়াতের প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারী, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী নুরুল হক, জাতীয়তাবাদি গণতন্ত্রিক আন্দোলন এনডিএম এর প্রার্থী সাইফুদ্দিন খালেদ, লেবারেল ডেমোক্রিটিক পার্টির প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আরাফাত।

‎এর আগে শুক্রবার দুপুরে কক্সবাজার ১ চকরিয়া-পেকুয়া আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি ৫ প্রার্থীর মধ্যে ২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছে জেলা রিটানিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। একই সঙ্গে অপর ৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

‎এই আসনটিতে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুখ, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী মো. আব্দুল কাদেরের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।

‎অবৈধ ঘোষণা হয়েছে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. ছরওয়ার আলম কুতুবী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাইফুল ইসলামের মনোনয়নপত্র।

‎শুক্রবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার ২ মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারি ৭ প্রার্থীর মধ্যে ২ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে অপর ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে জেলা রিটানিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান।

‎কক্সবাজার ২ মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল প্রার্থী হলেন, জামায়াতের কেন্দ্রিয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মওলা।

‎বৈধ হয়েছেন, বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী জিয়াউল হক, খেলাফত মজলিশের প্রার্থী ওবাদুল কাদের নদভী, গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী এস এম রোকনুজ্জামান খান, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহমুদুল করিম,।

‎নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সংশোধিত তফসিল মতে, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তারিখ ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।

‎আপিল নিষ্পত্তির তারিখ ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দের তারিখ ২১ জানুয়ারি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও চতুর্থ গণভোট হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।