জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, রাজনৈতিক দলে পদত্যাগ একটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। মতপার্থক্যের কারণে রাজনীতিতে ভাঙা–গড়ার ঘটনা নতুন নয়। তবে জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার যে গণআকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, এনসিপি সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই রাজনীতির পথে এগিয়ে যাবে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রাকিবুল ইসলামের কাছে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে এনসিপির প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, যারা বিভিন্ন কারণে দল থেকে সরে গেছেন, তারা প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আবারও যুক্ত হতে পারেন। এনসিপি প্রত্যেকের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে সম্মান করে। সাময়িক কোনো সংকট বা নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হলেও, ইতিবাচক ও জনমুখী রাজনীতির মাধ্যমেই তা অতিক্রম করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনে দেশের মানুষ ভোটাধিকার ও মৌলিক মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে এবং অর্থনীতি মারাত্মক সংকটে পড়েছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি, ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং লুণ্ঠিত গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই এনসিপির রাজনৈতিক লড়াই।
হাসনাত আব্দুল্লাহ জানান, ইনসাফ প্রতিষ্ঠার পথেই শহীদ শরীফ ওসমান হাদী প্রাণ দিয়েছেন। স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত ইনসাফ কায়েম করাই এনসিপির মূল অঙ্গীকার। দুর্নীতির প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না বলেও তিনি দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় জামায়াতে ইসলামীর নেতা সাইফুল ইসলাম শহীদসহ জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।