বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এ তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস–এর একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট অবতরণ করে। এর আগে সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে উড়োজাহাজটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এ সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি সম্পন্ন করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।
ঢাকায় পৌঁছালে তারেক রহমানের সঙ্গে থাকা স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান–কে সঙ্গে নিয়ে তিনি বিমানবন্দরের ভিআইপি এলাকায় প্রবেশ করেন। সেখানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর–এর নেতৃত্বে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা ফুল দিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান।
এর আগে বুধবার রাতে লন্ডনের বাসা থেকে হিথ্রো বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। দীর্ঘ দেড় যুগের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আবেগ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
বিমানবন্দরে অবতরণের পর তারেক রহমান প্রায় ২০ মিনিট রজনীগন্ধা লাউঞ্জে অবস্থান করবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। সেখানে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সংক্ষিপ্ত মতবিনিময়ের পর তিনি সড়ক পথে এভারকেয়ার হাসপাতাল–এর উদ্দেশে রওনা হবেন।
এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া–এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। পাশাপাশি তার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মেডিকেল বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে মায়ের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা নিয়েও আলোচনা করবেন। এরপর তিনি গুলশানে পরিবারের বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হবেন। তবে গুলশানের ‘ফিরোজা’ নাকি ১৯৬ নম্বর নিজ বাসায় উঠবেন—সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এদিকে বিমানবন্দর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতাল পর্যন্ত সড়কের দুপাশে লাখো নেতাকর্মী ও সমর্থক তাকে অভ্যর্থনা জানাতে প্রস্তুত রয়েছেন। পথে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) এলাকায় নির্ধারিত সংক্ষিপ্ত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাবেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।