শহীদ শরীফ ওসমান হাদির কফিন ছুঁয়ে আগ্রাসন ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শপথের কথা জানিয়েছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি শহীদ হাদির শাহাদাতকে বিপ্লবের পথে আত্মোৎসর্গের সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।
স্ট্যাটাসে সাদিক কায়েম লেখেন, ‘শহীদের কফিন ছুঁয়ে আমাদের শপথ—আগ্রাসন ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে আজীবন লড়ে যাবো। হে আমাদের মালিক, আমাদেরকে শহীদ হাদীর মতো কবুল করুন। বিপ্লবের পথে, শাহাদাতের পথে।’ তার এই কথায় ফুটে ওঠে একদিকে গভীর শোক, অন্যদিকে অবিচল প্রতিরোধের অঙ্গীকার।
তিনি লেখেন, শহীদ শরীফ ওসমান হাদি কেবল একজন ব্যক্তি নন; তিনি একটি চেতনার নাম, একটি সাহসী কণ্ঠের প্রতীক। অন্যায়, দমন-পীড়ন ও আধিপত্যের বিরুদ্ধে যিনি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আপসহীন ছিলেন। তার শাহাদাত নতুন করে প্রজন্মকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস জোগাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাদিক কায়েম আরও বলেন, শহীদদের রক্ত কোনোদিন বৃথা যায় না। ইতিহাস সাক্ষী—যে জাতি তার শহীদদের স্মরণে শপথ নেয়, সেই জাতিকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারে না। হাদির রক্তের মধ্য দিয়েই ইনসাফ, ন্যায় ও আত্মমর্যাদার পথ আরও স্পষ্ট হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এই স্ট্যাটাস প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অসংখ্য মানুষ মন্তব্যে শহীদ হাদির প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং সাদিক কায়েমের এই শপথকে সময়ের দাবি বলে উল্লেখ করেন। অনেকেই লেখেন, হাদির শাহাদাত একটি আন্দোলনের শেষ নয়, বরং নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাদিক কায়েমের এই বার্তা শুধু আবেগের প্রকাশ নয়; এটি একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক ও আদর্শিক অবস্থান। শহীদ শরীফ ওসমান হাদির মতো তরুণদের আত্মত্যাগ আগামীর বাংলাদেশ গঠনের লড়াইয়ে দীর্ঘদিন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।