বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নদীতে ভাসমান শিশু, রাষ্ট্রের অচেনা নাগরিক—শিক্ষাবঞ্চিত এক জীবনের গল্প

দেশের উপকূলবর্তী উপজেলাগুলোর নদীর তীর ঘেঁষে সারি সারি নৌকা। প্রতিটি নৌকাতেই বসবাস একটি করে পরিবার। সেই নৌকাই তাদের ঘর, সেই নৌকাতেই সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার সহাবস্থান। ধর্মে মুসলমান হলেও বিচিত্র জীবনযাত্রার কারণে তারা পরিচিত ‘মানতা সম্প্রদায়’ নামে। অনেকের কাছে তারা ‘অদৃশ্য’ বা ‘অজানা’ এক জনগোষ্ঠী—যাদের জন্ম, জীবন ও মৃত্যু নদীকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত। ইতিহাস বলছে, মানতা সম্প্রদায়ের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:০৩

দেশের উপকূলবর্তী উপজেলাগুলোর নদীর তীর ঘেঁষে সারি সারি নৌকা। প্রতিটি নৌকাতেই বসবাস একটি করে পরিবার। সেই নৌকাই তাদের ঘর, সেই নৌকাতেই সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার সহাবস্থান।

ধর্মে মুসলমান হলেও বিচিত্র জীবনযাত্রার কারণে তারা পরিচিত ‘মানতা সম্প্রদায়’ নামে। অনেকের কাছে তারা ‘অদৃশ্য’ বা ‘অজানা’ এক জনগোষ্ঠী—যাদের জন্ম, জীবন ও মৃত্যু নদীকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত।

ইতিহাস বলছে, মানতা সম্প্রদায়ের বেশিরভাগ গোষ্ঠীর ভাসমান জীবনের সূচনা দেড়শ থেকে দুশো বছর আগে। কোনো কোনো গোষ্ঠী তারও পুরোনো। শত বছর পেরিয়ে গেলেও তারা আজও পায়নি স্থায়ী কোনো ঠিকানা কিংবা এক টুকরো স্থলভূমি।

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারা ভোটাধিকার পেলেও শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও বাসস্থানের মতো মৌলিক অধিকার থেকে এখনো বঞ্চিত এই জনগোষ্ঠী। জন্ম-মৃত্যুর নিবন্ধন না থাকায় রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের বাইরেই থেকে যাচ্ছে তাদের একটি বড় অংশ। নদীতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসবাস করায় তাদের সঠিক জনসংখ্যাও নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

মানতা সম্প্রদায়ের সদস্য শিরিনা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলের নদীতে ছোট ছোট নৌকাতেই তাদের পুরো জীবন কেটে যায়। শিক্ষা ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এই জনগোষ্ঠী জীবিকার তাগিদে নদী কিংবা সাগরে মাছ ধরতে ছুটে বেড়ায়।

আধুনিক সভ্যতার যুগে থেকেও আধুনিকতার স্পর্শ তাদের জীবনে প্রায় অনুপস্থিত। নদীতেই জন্ম, নদীতে বেড়ে ওঠা, নদীতেই মৃত্যু—এভাবেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম পার করছে তারা। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া সুইচগেট এলাকায় এমনই এক মানতা গোষ্ঠীর দেখা মিলেছে।

স্থানীয় মো. আলী জিন্নাহ বলেন, আমারা যুগযুগ ধরে এদেরকে নৌকায় ভাসমান জীবন-যাপন করে আসছে দেখে আসছি। শিক্ষা, চিকিৎসা, সরকারি সহায়তা ও নাগরিক পরিচয়ের অভাব তাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। ফলে সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর তালিকায় রয়েছে মানতা সম্প্রদায়।

শিশুদের স্কুলে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। পেটের দায়ে পড়াশোনাকে তারা অনর্থক মনে করে। বয়স দশ-বারো হলেই অনেক শিশু বাবা-মায়ের সঙ্গে মাছ ধরায় যুক্ত হয়ে পড়ে। না হলে প্রতিদিনের খাবার জোটে না। দক্ষিণাঞ্চলের নদী ও মোহনাগুলোতে ভেসে বেড়ানোই তাদের নিয়তি।

রাষ্ট্র যেখানে ভালো ফলাফলের প্রজন্ম নিয়ে গর্ব করে, সেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একটি বিশাল জনগোষ্ঠী শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত—এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মানতা সম্প্রদায়ের সদস্যরা। তাদের ভাষ্য, রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণে তারা এখনো উপেক্ষিত।

তিনি তাদেরকে মূলধারার জীবন-যাপনে নিয়ে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা সরকারি-বেসরকারি সংস্থাকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, “মানতা সম্প্রদায় জলজ ও ভাসমান জনগোষ্ঠী। তাদের শিশুদের মূলধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় আনা কঠিন। তবে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তাদের আবাসস্থলের নিকটবর্তী কোনো স্থানে উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে তারা অন্তত জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করতে পারবে।”

নদীর সঙ্গে আজন্ম প্রেম, নদীর সঙ্গেই বেঁচে থাকার লড়াই মানতা সম্প্রদায়ের। আগত ঝড়-জলোচ্ছ্বাস প্রতিনিয়ত তাদের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়। মৃত্যুভয়, আতঙ্ক আর সংগ্রামের এই জীবনে তারা ক্লান্ত।

তবুও সুযোগ পেলে আর দশজন সাধারণ মানুষের মতো ডাঙায় বসবাস করতে চায় তারা—আর শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে চায় মানতা সম্প্রদায়ের প্রতিটি শিশুকে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।