বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউলের বিরুদ্ধে গুম ও হত্যার অভিযোগ আমলে নিয়েছে ট্রাইব্যুনাল

গুম ও শতাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে এই অভিযোগ দাখিল করেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মঈনুল করিমসহ অন্যরা। এ বিষয়ে আজ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আরও ৩ শতাধিক মানুষকে হত্যার […]

সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউলের বিরুদ্ধে গুম ও হত্যার অভিযোগ আমলে নিয়েছে ট্রাইব্যুনাল

ছবি ; সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৪:১৫

গুম ও শতাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।

আজ বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে এই অভিযোগ দাখিল করেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মঈনুল করিমসহ অন্যরা। এ বিষয়ে আজ শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আরও ৩ শতাধিক মানুষকে হত্যার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

বর্তমানে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে গুম-নির্যাতনের মামলায় শাপলা চত্বরে গণহত্যার দায়সহ গুরুতর কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে। জিয়াউল আহসান বর্তমানে গ্রেফতার রয়েছেন।

আইন-আদালত

হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর আপিল শুনানি পেছালো

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা আপিল আবেদনের শুনানি পিছিয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ২৮ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্ট-এর আপিল বিভাগ। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে একই দিনে […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:০৬

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা আপিল আবেদনের শুনানি পিছিয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ২৮ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্ট-এর আপিল বিভাগ।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর আগে একই দিনে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতও শুনানির জন্য নতুন দিন নির্ধারণ করেছিলেন।

উল্লেখ্য, কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী-এর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। তবে হাইকোর্ট রিটটি খারিজ করে দেন।

হাইকোর্টের সেই আদেশের বিরুদ্ধে মুন্সীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল আবেদন করেন তার আইনজীবী সাইফুল্লাহ আল মামুন। গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) চেম্বার জজ আদালতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখান থেকেই বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়।

আইনি প্রক্রিয়ার এই অগ্রগতির দিকে নজর রাখছেন কুমিল্লা-৪ আসনের ভোটার ও রাজনৈতিক মহল। আগামী ২৮ জানানির শুনানিকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী পরিস্থিতিতে নতুন মোড় আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আইন-আদালত

৩ আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সব নথি হাইকোর্টের হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে আবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংশ্লিষ্ট আসনগুলো হলো ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ ও গাইবান্ধা-৪। আবেদনের পর নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল এসব আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বাংলাদেশ হাইকোর্ট-এর হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২:৩৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে আবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংশ্লিষ্ট আসনগুলো হলো ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ ও গাইবান্ধা-৪। আবেদনের পর নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল এসব আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বাংলাদেশ হাইকোর্ট-এর হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়ম সংক্রান্ত আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেন-এর নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের শুনানি করবেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয় এবং ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। পরে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে। তবে আদালতের নির্দেশনার কারণে দুটি আসনের গেজেট এখনো প্রকাশ হয়নি।

আইন-আদালত

ভারতে অবস্থানরত হাসিনাসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সরকারের ৩০৯ কোটি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও একাধিক মন্ত্রীসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এই আদেশ দেন। দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজিল হাসান নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:৫৬

সরকারের ৩০৯ কোটি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও একাধিক মন্ত্রীসহ ১৭ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

রোববার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন এই আদেশ দেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজিল হাসান নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত সাবেক মন্ত্রীরা হলেন আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসাইন, ওবায়দুল কাদের, আনিসুল হক, মো. আব্দুল মান্নান। অন্যরা হলেন এম এ এন সিদ্দিক, রফিকুল জলিল, মোহাম্মদ শফিকুল কারীম, মো. ফিরোজ ইকবাল, ইবনে আলম হাসান, মো. আফতাব হোসাইন খান, মো. আব্দুস সালাম, মনির উজ জামান চৌধুরী, সেলিনা চৌধুরী, মো. ইকরাম ইকবাল।

নিষেধাজ্ঞার আবেদনে বলা হয়েছে, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম লিমিটেড শতকরা ১৭.৭৫ শতাংশ হারে ৫ বছর মেয়াদে ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বিল গ্রহণ করে। এতে সরকারের ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়।

আসামিরা প্রতারণার মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে আত্মসাৎ করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।

মামলার এজাহারনামীয় আসামিরা দেশত্যাগ করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। এতে মামলার তদন্ত কার্যক্রম বাধাগ্রস্তসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই মামলা সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন। শুনানি শেষে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।