আতিকুর রহমান, রাবি প্রতিনিধি
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর হওয়া হামলার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে সমাবেশ করেছেন। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টায় শহীদ মিনার চত্বর থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ মিছিল শুরু করেন।বিজয়নগরে
এসময় শিক্ষার্থীরা ‘হাদীর ওপর হামলা কেন, ইন্টেরিম জবাব দে ‘, ‘চব্বিশের হাতিয়ার গর্জে ওঠো আরেকবার ‘, ‘হাদী ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না ‘, ‘ আবু সাঈদের একশান, ডাইরেক একশান ‘ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে রাজশাহীর তালাইমারি জিরো পয়েন্টে সমাবেশে মিলিত হন।
সমাবেশে রাকসু সহসভাপতি ও শাখা শিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন,‘জুলাই বিপ্লবের অন্যতম সেনানায়ক শহীদ আলী রায়হানের মাথায় গুলি করে যে আঘাত করা হয়েছে, তাতে আমাদের আন্দোলন থেমে থাকবে না। যত বাধা–নিষেধই আসুক, যত গুলিই চলুক আমরা জুলাই এবং ইনসাফের চেতনা নিয়ে বেঁচে থাকব। আমাদেরকে গুলি করে বা কুপিয়ে কখনোই থামাতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।’
রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার মাত্র এক দিন পরেই একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর ওপর বন্দুক হামলা হয়েছে। সুতরাং এই নির্বাচন মেসেজ দিচ্ছে এটা কতটা ভয়ংকর নির্বাচন হতে যাচ্ছে।’
রাবি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, ‘রক্তাক্ত জুলাইয়ের রাজপথ থেকে ওঠে আসা ওসমান হাদি আজ রক্তাক্ত। যেখানে বহু জুলাই যুদ্ধা অন্যায়ের সাথে আপোষ করেছেন, দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন যেখানে ঐ ওসমান হাদি কোনো গুষ্টির সাথে আপোষ করেন নি। তিনি সর্বদা ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও মুজিবাবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। আমরা মনে করি, আজকের এই হামলায় মুজিব সন্ত্রাসীরা জড়িত।’
একই সাথে তিনি দেশের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে এক বিপ্লবী কন্ঠস্বর হয়ে উঠেছেন। আমরা মনে করি ঢাকার চাঁদাবাজদের গডফাদারদের ও এতে হাত রয়েছে।