ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে পাথর মেরে মানুষ হত্যার রাজনীতি আর চলবে না। তিনি দাবি করেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার পতন এবং গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তনই হয়নি, একটি জেনারেশনের মননেও আমূল পরিবর্তন এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা পুরোনো সহিংস রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে প্রত্যাখ্যান করে গঠনমূলক ও শ্রদ্ধাবোধনির্ভর রাজনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
রোববার সন্ধ্যায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের উজিরপুর ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের পক্ষে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের গণমিছিল শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ভেবেছিলাম দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলে যাবে। কিন্তু কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর আচরণ দেখে মনে হচ্ছে তারা এখনো সেই পুরোনো সহিংস রাজনীতির ধারায় আটকে আছে। “খুনি হাসিনা যে কাজগুলো করে যেতে পারেনি, সেই কাজগুলো এখন কিছু গোষ্ঠী নিজেরা হাতে তুলে নিয়েছে”—এ মন্তব্য করে তিনি সহনশীল রাজনীতির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে খুন, গুম, পাথর মেরে মানুষ হত্যার রাজনীতি টিকবে না। দেশের মানুষ এখন গঠনমূলক, সহনশীলতা–নির্ভর ও ইতিবাচক মূল্যবোধের রাজনীতি চায়। যারা আবু সাঈদের মতো রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করেছে, তারাই নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
ডা. তাহেরের পক্ষে গণমিছিলে নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক আব্দুস সাত্তার, মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা মাহবুবুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সেক্রেটারি মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সিনিয়র সহ–সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, ভিপি শাহাব উদ্দিনসহ স্থানীয় নেতারা।