রোববার রাজধানীর মালিবাগ আবুজর গিফারী কলেজ কনফারেন্স রুমে স্থানীয় ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, “১৭ বছর পর এ কলেজে এলাম। দেখে মনে হলো—অনেক কিছুই নষ্ট করে ফেলা হয়েছে, দখল হয়ে গেছে বহু স্থান। এ এলাকায় আগে মাদকের অস্তিত্ব ছিল না; এখন সিন্ডিকেট বড় হয়েছে। তবুও মাদক নির্মূল করতে হবে, এ কাজে এলাকায়বাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।
” তিনি আরও বলেন, “একজন মাদকসেবী শুধু নিজের পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্য বোঝা। যেকোনো সমস্যায় আমাকে ফোন দেবেন—ব্যবস্থা নেবো। মনে রাখবেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের সঙ্গে কোনো আপস নেই।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “মাদকসেবীর সংখ্যা বেড়েছে কারণ এই এলাকায় এখন আর খেলার মাঠ নেই, নেই বিনোদনের জায়গা। মুরুব্বিদের সময় কাটানোর মতো ক্লাবও নেই। আওয়ামী লীগ এসব জায়গা দখল করে ভবন তুলে ফেলেছে। নির্বাচিত হলে আমি মাঠ ও বিনোদনের স্থানগুলো পুনরুদ্ধার করবো।”
মির্জা আব্বাস দাবি করেন, এলাকার সঙ্গে যাদের সম্পর্ক নেই, তারা এলাকা নিয়ে দায়িত্ববানও নন। “ভোট পাওয়ার জন্য মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিই না। আমি পালিয়ে যাওয়ার লোক নই। এলাকার সন্তান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবো,”—যোগ করেন তিনি।
ঢাকা মহানগরের জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জলাবদ্ধতা দূর করতে হলে খাল দখলমুক্ত করতে হবে। বহু জলাশয় দখল হয়ে গেছে, নর্দমা–খালের পানি বের হওয়ার পথ বন্ধ। এগুলো পুনরুদ্ধার করা ছাড়া উপায় নেই।”
সাবেক কমিশনার সাজ্জাদ জহিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন মহানগর দক্ষিণ বিএনপি নেতা ফজলে রুবায়েত পাপ্পু। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন।