বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বিক্ষোভের মুখে বাঁকখালী তীরে নদী বন্দরের সীমানা পিলার স্থাপন স্থগিত

‎কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর তীরে ইতিমধ্যে উচ্ছেদ হওয়া জমিতে নদী বন্দরের সীমানা পিলার স্থাপনে স্থানীয়দের বাঁধার মুখে পড়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।  ‎রবিবার সকাল থেকে সড়ক অবরোধ, টায়ারে আগুন, গাছ ফেলে কয়েক হাজার মানুষের বিক্ষোভের মুখে পিলার স্থাপনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার নদী বন্দরের পোর্ট অফিসার আব্দুল ওয়াকিল। ‎তিনি জানান, চলতি বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ […]

বিক্ষোভের মুখে বাঁকখালী তীরে নদী বন্দরের সীমানা পিলার স্থাপন স্থগিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:২৩

‎কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর তীরে ইতিমধ্যে উচ্ছেদ হওয়া জমিতে নদী বন্দরের সীমানা পিলার স্থাপনে স্থানীয়দের বাঁধার মুখে পড়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। 

‎রবিবার সকাল থেকে সড়ক অবরোধ, টায়ারে আগুন, গাছ ফেলে কয়েক হাজার মানুষের বিক্ষোভের মুখে পিলার স্থাপনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার নদী বন্দরের পোর্ট অফিসার আব্দুল ওয়াকিল।

‎তিনি জানান, চলতি বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিআইডব্লিউটিএ সাড়ে ৪’শ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদী তীরের ৬৩ একর জমি দখলমুক্ত করে। এরপর উচ্ছেদ করা জমিতে নদীর বন্দরের সীমানা নির্ধারণ করে পিলার স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সিদ্ধান্ত মতে ২০১৯ সালের যৌথ জরিপ ম্যাপ অনুযায়ী সেই এলাকায় উচ্চ ও টেকসই সীমানা পিলার স্থাপন, সাইনবোর্ড বসানো আর কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ-এ তিনটি কাজ ৩ থেকে ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়া হয়।

‎আব্দুল ওয়াকিল জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার থেকে ওই এলাকায় কিছু মানুষ বিক্ষোভ, অবরোধ শুরু করেন। কিন্তু শনিবার পর্যন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়নি। রবিবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ সহ কার্যক্রম শুরু করতে গেছে সড়ক অবরোধ, টায়ারে আগুন, গাছ ফেলে কয়েক হাজার মানুষের বিক্ষোভ করতে দেখা গেছে।

এসময় গুলি এবং ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বাঁধার মুখে কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

‎তিনি বলেন, যারা বিক্ষোভ করছেন তাদের কারও কাছে বৈধ কাগজপত্র নেই। তবে এই মুহূর্তে কোনো উচ্ছেদ অভিযানও পরিচালিত হচ্ছে না। শুধু ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উচ্ছেদকৃত নদীর জমিতে সীমানা পিলার বসানো হচ্ছে। এটাকে কেন্দ্র করে পুরনো দখলদারেরা ভাসমান লোকজন জড়ো করে সরকারী কাজে বাধা দিচ্ছে।

‎রবিবার সকালে দেখা গেছে, কক্সবাজার শহরের কস্তুরাঘাটস্থ বাঁকখালী নদীর তীরে কয়েক হাজার মানুষ। তারা টায়ারে আগুনে, সড়কে গাছ দিয়ে অবরোধ করেছে। পরিবেশ উপদেষ্টা সহ নানা শ্লোগান দিচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সহ বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ গেলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছেন। ওই সময় কিছু বিকট শব্দও শোনা গেছে।

‎বিক্ষোভ অংশ নেয়া আবদুল গফুর নামের এক ব্যক্তি জানান, এখানে বৈধ জমিতে তার ঘর ছিল। তা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এব্যাপারে ইতিমধ্যে আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত এখানে কোন ধরনের স্থাপনা না করতে আদেশও দিয়েছে। কিন্তু বিআইডব্লিউটিএ তা মানছে না। তারা কাঁটাতার-পিলার দিয়ে জমি পুরো দখলের প্রক্রিয়া করছে। এটা হতে দেয়া হবে না।

‎শেখ নেওয়াজ নামের এক ব্যক্তি জানান, এখানে সাড়ে ৪ শত জনের জায়গা রয়েছে। প্রতিজনেরই কাগজ রয়েছে। কিন্তু প্রশাসন তা মানছেন না। ফলে নতা প্রতিরোধ করতে এগিয়ে এসেছেন। 

‎অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, “তারা তো আদালতের আদেশ মানছেন না। কোন কাগজপত্রও দেখছে না। নিজেদের মতো করে কাজ করছে। এটা করতে দেয়া হবে না।”  

‎ঘটনাস্থলে বিআইডব্লিউটিএ-এর নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আশরাফুর রহমান জানান, এখানে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনা করে পিলার স্থাপনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। এব্যাপারে উধ্বতন মহলের সাথে আলাপ করে পরবর্তি সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।