মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রাঙ্গাবালীতে বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশনের নতুন উপজেলা কমিটি গঠন

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন (বিএমজিটিএ)-এর উপজেলা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে শুক্রবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ছোটবাইশদিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসা জেনারেল শিক্ষকদের সংগঠন শক্তিশালীকরণ ও সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণে এ সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিএমজিটিএ রাঙ্গাবালী উপজেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯:৫৫

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন (বিএমজিটিএ)-এর উপজেলা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে শুক্রবার (৫ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ছোটবাইশদিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসা জেনারেল শিক্ষকদের সংগঠন শক্তিশালীকরণ ও সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণে এ সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিএমজিটিএ রাঙ্গাবালী উপজেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক ও রাঙ্গাবালী নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. সোহেল রানা। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং আমলীবাড়ীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. আব্বাস উদ্দিন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সচিব মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন,

“বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন দেশের মাদ্রাসা শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে। রাঙ্গাবালী উপজেলা কমিটি গঠনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাসুদ পারভেজ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. অহিদুল ইসলাম। অতিথিবৃন্দ বলেন, সংগঠনের একতা ও শক্তি বৃদ্ধি করতেই নতুন কমিটি অত্যন্ত জরুরি। তারা পরবর্তীতে উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার জেনারেল শিক্ষকরা অংশ নেন। শিক্ষকরা সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, শিক্ষক স্বার্থ–সুরক্ষা, পেশাগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং নীতি সহায়তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন।

আলোচনা শেষে রাঙ্গাবালী উপজেলা শাখার আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। নির্বাচিতরা হলেন—

সভাপতি: মো. সোহেল রানা (সহকারী শিক্ষক, রাঙ্গাবালী নেছারিয়া দাখিল মাদ্রাসা)।

সাধারণ সম্পাদক: মো. আব্বাস উদ্দিন (সহকারী শিক্ষক, আমলীবাড়ীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা)।

সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. সাইফুল ইসলাম (সহকারী শিক্ষক, ছোটবাইশদিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা)।

জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলা কমিটি প্রণয়ন করে জেলা কমিটির নিকট প্রেরণের নির্দেশ দেয়া হয়।

নবনির্বাচিত সভাপতি মো. সোহেল রানা বলেন,“শিক্ষকদের কল্যাণে এবং সংগঠনের শক্তি বাড়াতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সাথে কাজ করবো।”

সাধারণ সম্পাদক মো. আব্বাস উদ্দিন বলেন,“আমাদের উপর যে বিশ্বাস রাখা হয়েছে আমরা সেই আস্থা রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।”

সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “উপজেলার সকল মাদ্রাসা জেনারেল শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ করতে আমরা কাজ করবো।”

নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স এসোসিয়েশন ও পটুয়াখালী জেলা শাখার সকল নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানান।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।