তিনি বলেন, যেসব প্রাইভেট সেক্টর উন্নতি করছে, সেখানে সরকারি সেক্টর—বিশেষ করে বিমান, রেলসহ বিভিন্ন খাত—দুর্নীতিতে পুরোপুরি জর্জরিত। হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত প্রতিষ্ঠানেও ঘুষ ছাড়া সাধারণ মানুষের এক শতাংশ কাজও হয় না।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ আসনে খেলাফত মজলিস আয়োজিত একটি গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে।
৫৪ বছরের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে ২০২৪ সালের পরিবর্তন পর্যন্ত শাসক দলের প্রতীক বদলেছে, ক্ষমতার চেহারা বদলেছে, কিন্তু বাংলার মানুষের ভাগ্য এবং শাসনব্যবস্থার প্রকৃতি বদলায়নি।
“আমরা সব সময় ব্যভিচার আর জুলুমের শিকার হয়েছি”—বলেই তিনি যোগ করেন, নিজেদের স্বার্থে কোনোদিন কাজ করেননি; সব সময়ই ইসলামের স্বার্থে কাজ করেছেন।
তিনি স্মরণ করেন, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের আন্দোলনে তারা জনগণের জন্য “সবুজ বাংলাদেশ” গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, কিন্তু সে সময় রক্ত ঝরেছিল, দেশের মাটি রঞ্জিত হয়েছিল।
সমাবেশে তিনি নবীনগর আসনে রিকশা প্রতীক নিয়ে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাওলানা মুফতি আমজাদ হোসেন আশরাফিকে ঘোষণা দেন।
গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নবীনগর উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মুফতি আমজাদ হোসাইন আশরাফী। বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মহসিনুল হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল আজিজসহ অন্যান্য নেতারা।
সমাবেশকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং মানুষের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।