রোকুনুজ্জামান, জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন-২০২৫ কে সামনে রেখে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং ভুল তথ্য উপস্থাপনের অভিযোগে শিবির সমর্থিত প্যানেলের দুই শীর্ষ পদপ্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
সোমবার (২ ডিসেম্বর) জকসু নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নোটিশ জারি করা হয়।
শোকজ খাওয়া প্রার্থীরা হলেন সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী আব্দুল আলিম আরিফ।
নোটিশে বলা হয়, জকসু নির্বাচন কমিশন গভীরভাবে লক্ষ্য করেছে যে, গত ২৭ নভেম্বর (২০২৫) ক্যাম্পাসে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে অভিযুক্ত প্রার্থীদের প্যানেলের পক্ষে কতিপয় প্রার্থী ও সমর্থকরা জকসু প্রধান নির্বাচন কমিশনার, অন্যান্য কমিশনারবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে নানা রকম উসকানিমূলক, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেছেন।
নির্বাচন কমিশন জানায়, প্রার্থীদের এমন আচরণ ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল শিক্ষার্থী সংসদসমূহের গঠন ও পরিচালনা বিধিমালা ২০২৫’ এবং ‘জকসু নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ২০২৫’-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নোটিশে উক্ত প্রার্থীদের এ ধরনের আচরণ অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, তাদের আচরণের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী ০৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিকট লিখিতভাবে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জবি শাখা শিবির সেক্রেটারি ও জকসু নির্বাচনের জিএস প্রার্থী আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, “আমরা এমন কোনো কথা বলিনি যার তথ্য উপাত্ত আমরা দেইনি। আমরা একবারে যুক্তি প্রমাণ সাপেক্ষে নির্দিষ্ট করে বলেছি যে অমুক ব্যক্তি অমুক জায়গায় অনিয়ম করেছে; এমনকি ধারা উপধারা ব্যাখ্যা সহকারে বলেছি।
নির্বাচন কমিশনার আমাদের কাছে ভাসা ভাসা অভিযোগ করেছে যেটা আমাদের কাছে একেবারে অস্পষ্ট। কোন জায়গায় আমরা তাদের বিভ্রান্ত করেছি, তাদের মানহানি করেছি এবং উস্কানি দিয়েছি নির্বাচন কমিশন এ জায়গাগুলোকে স্পষ্ট করলে আমাদের জন্য এটার রিপ্লাই দেওয়া সহজ হয়।
আমরা নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কাছ থেকে আরো ভালো কিছু আশা করি যেন নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়।”