বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

কক্সবাজারে ইয়াবা উদ্ধার করে কম দেখানো ও আর্থিক কেলেঙ্কারি অভিযোগে র‍্যাব-১৫তে নজিরবিহীন গণবদলি

নুর মোহাম্মদ, কক্সবাজার প্রতিনিধি কক্সবাজারে ইয়াবা উদ্ধার করে মামলায় কম দেখানো ও আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের কক্সবাজার-বান্দরবানের র‍্যাব-১৫-এর বিরুদ্ধে। এ-সংক্রান্ত তদন্তের মধ্যেই ইউনিটটির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসানসহ তিন শতাধিক সদস্যকে একযোগে নজিরবিহীন গণবদলি করা হয়েছে। র‍্যাব এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নিয়মিত বদলি’ বললেও একাধিক সূত্রের তথ্য বলছে, দুটি বিতর্কিত অভিযানের প্রেক্ষিতে সদর […]

কক্সবাজারে ইয়াবা উদ্ধার করে কম দেখানো ও আর্থিক কেলেঙ্কারি অভিযোগে র‍্যাব-১৫তে নজিরবিহীন গণবদলি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ নভেম্বর ২০২৫, ২০:০১

নুর মোহাম্মদ, কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারে ইয়াবা উদ্ধার করে মামলায় কম দেখানো ও আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের কক্সবাজার-বান্দরবানের র‍্যাব-১৫-এর বিরুদ্ধে। এ-সংক্রান্ত তদন্তের মধ্যেই ইউনিটটির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসানসহ তিন শতাধিক সদস্যকে একযোগে নজিরবিহীন গণবদলি করা হয়েছে।

র‍্যাব এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘নিয়মিত বদলি’ বললেও একাধিক সূত্রের তথ্য বলছে, দুটি বিতর্কিত অভিযানের প্রেক্ষিতে সদর দপ্তরের অনুসন্ধানের ভিত্তিতেই এই ‘গণবদলি’ বাস্তবায়ন হয়েছে।

র‍্যাব সদর দপ্তরের প্রশাসন-অর্থ শাখার অনুমোদনের ভিত্তিতে ১৯ নভেম্বর দুটি প্রজ্ঞাপনে ১৯৮ ও ২০০ জন সদস্যকে বদলি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার আরও ৭৪ জনকে বদলি করা হয়। তিন দফায় বদলিকৃতদের বড় একটি অংশই র‍্যাব-১৫ এ কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।

র‍্যাবের মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেকাব চৌধুরী একাধিক গণমাধ্যমকে জানান, এক বছর চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় র‍্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসানকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটি নিয়মিত বদলির অংশ।

নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নেয়ামুল হালিম খান, যিনি করোনাকালে যশোর সেনানিবাসে ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের ৩৭ বীর-এর অধিনায়ক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং পশ্চিম পাড়ায় র‍্যাব অভিযান চালিয়ে দুই নারীকে ৮৯ হাজার ৬০০ পিস ইয়াবাসহ আটক দেখায়। নগদ ১৬ লাখ ৭১ হাজার ৮৩০ টাকা উদ্ধারের কথাও বলা হয়। মামলায় যুবদল নেতা হেলাল উদ্দিনসহ আটজনকে পলাতক দেখানো হয়।

এজাহারে তথ্যভ্রষ্টির অভিযোগ উঠেছে, যার মধ্যে অন্যতম স্থানীয় সাংবাদ কর্মী সেলিম উদ্দিনকে ফাঁসানোর চেষ্টা। সেলিমের দাবি, এক মাদককারবারিকে রক্ষার জন্য ‘নামের মিল’কে কাজে লাগানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে, প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

নভেম্বরের শুরুতে র‍্যাব সদর দপ্তরের একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল সরেজমিনে এসে পরিদর্শন করে বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় এক যুবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, কয়েকদিন আগে র‍্যাবের কয়েকজন সদস্য তদন্তে এসেছিলেন। তারা সেলিম ও হেলালের খোঁজ নিয়েছিলেন। স্থানীয়দের মতে, সেলিম নামে দুইজন আছেন- একজন ইয়াবা কারবারি সাথে জড়িত এবং এলাকায় তার সুনাম আছে, অপরজন সাংবাদিক, যাদের বিরুদ্ধে কখনও কোনো খারাপ অভিযোগ শুনা যায়নি।

তথ্য বলছে, আরও একটি বিতর্কিত অভিযানটি হয় ২৬ সেপ্টেম্বর হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা এলাকায়। ডজন মামলার আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার দেখায় র‍্যাব-১৫। তবে জব্দতালিকায় মাত্র ৭টি ইটের টুকরা ও ২টি কাঠের লাঠি দেখানো হয়-যা স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রশ্ন ও সমালোচনার জন্ম দেয়।

দুই অভিযানেরই নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কামরুল হাসান। তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত টেকনাফ এফএস কমান্ডার কর্পোরাল ইমামকেও এসব অভিযানের নেপথ্যের ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করছেন র‍্যাবের একাধিক সূত্র।

র‍্যাব সদস্যদের বিরুদ্ধে ইয়াবা ঘটনায় জড়িত থাকার মতো গুরুতর অভিযোগ প্রসঙ্গে মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেকাব চৌধুরী বলেন গণমাধ্যমে বলেন, যদি কেউ অপরাধে জড়িত থাকে, অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। র‍্যাব তদন্তের মাধ্যমে যারা জড়িত আছে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই ঘটনায় যারা দায়ী তাদের শাস্তি পেতে হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।