বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বিয়ের পর থেকেই নববধূকে নির্যাতন, খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও টাকা হাতিয়ে নিয়ে তালাক

মুশফিক হাওলাদার ,লালমোহন (ভোলা): ভোলার লালমোহনে বিয়ের পর থেকেই এক নববধূর ওপর ধারাবাহিক নির্যাতন, জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায়, স্বামী-শ্বশুর মিলে অর্থ নিয়ে তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সাথী নামের ওই তরুণী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে আইনি সহায়তা ও সুবিচার চেয়েছেন এবং শনিবার দুপুরে লালমোহন প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সুবিচার চেয়েছেন। ভুক্তভোগী সাথী উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২নং […]

বিয়ের পর থেকেই নববধূকে নির্যাতন, খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর ও টাকা হাতিয়ে নিয়ে তালাক

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:৫৫

মুশফিক হাওলাদার ,লালমোহন (ভোলা):

ভোলার লালমোহনে বিয়ের পর থেকেই এক নববধূর ওপর ধারাবাহিক নির্যাতন, জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায়, স্বামী-শ্বশুর মিলে অর্থ নিয়ে তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সাথী নামের ওই তরুণী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে আইনি সহায়তা ও সুবিচার চেয়েছেন এবং শনিবার দুপুরে লালমোহন প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সুবিচার চেয়েছেন। ভুক্তভোগী সাথী উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড এলাকার মো. দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে।  

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাথী বলেন, গত ১৩ আগস্ট লালমোহন পৌরসভার নয়ানী গ্রামের অটোরিকশা চালক মোসলেউদ্দিনের ছেলে জিহাদের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। কাবিন নামায় চার লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য থাকলে এক লাখ টাকা উসিল লেখা হলেও উশিলের টাকা যা এখনো পরিশোধ করা হয়নি। বিয়ের সময় স্বর্ণালংকারসহ পোশাকাদি দেওয়া হয়।

সাথী আরো জানান, বিয়ের পর থেকেই স্বামী জিহাদ কোনো কাজ করতেন না। পরে বিভিন্ন অজুহাতে শ্বশুর মোসলেউদ্দিন তার মায়ের কাছ থেকে ব্যবসার কথা বলে চার লাখ টাকা নেন। এরপর আবার দুই লাখ টাকা দাবি করলে টাকা দিতে অস্বীকার করায় তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়।

গত ১১ নভেম্বর স্বামী-শ্বশুরসহ পরিবারের আরও সদস্যরা মিলে তাকে মারধর করেন এবং ভয়-ভীতি দেখিয়ে খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করেন। এ সময় তার গলা চেপে ধরা হয় এবং খালি স্টাম্পে স্বাক্ষর নেয়ার ঘটনাটি মোবাইলে ধারণ করেন তারা । পরে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়।

ঘটনার পর সাথী লালমোহন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পর বরপক্ষ সময় নিয়ে, তিনদিন পর ডাকযোগে তালাকনামা পাঠান স্বামী জিহাদ।

পরবর্তীতে এলাকার সমাজকল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক কবির হাওলাদারের বাড়িতে সালিশ ডাকলে সেখানেও বরপক্ষের লোকজন উত্তেজনা দেখিয়ে এক পর্যায়ে শ্বশুর মোসলেউদ্দিন সালিশের মধ্যেই সাথী ও তার মায়ের ওপর চড়াও হয়ে গায়ে হাত তোলেন এবং হুমকি দেন।

সাথী জানান, তালাকের পর জিহাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য প্রচার করছেন, যা তার সম্মানহানিকর।

এজন্য সাথী বিয়ের সময় ও পরে নেওয়া টাকা, স্বর্ণালংকার ফেরত এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। 

এ ব্যাপারে সাথীর স্বামী মো. জিহাদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্বে যেসব অভিযোগ দেয়া হয়েছে তা ঠিক নয়। তালাক কেন দিয়েছেন এর কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।

 এ বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।