শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মাঠে উত্তাপ বাড়ছে মুন্সিগঞ্জে, প্রচারণায় ব্যস্ত বিএনপি–জামায়াত–ইসলামী আন্দোলন

আলী আক্কাছ মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জ জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গন ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। জেলার তিনটি আসনেই বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক শক্তির ভারসাম্যের কারণে বিএনপি এ জেলায় শক্ত অবস্থানে থাকলেও মনোনয়ন–বঞ্চিত কেউ স্বতন্ত্র হয়ে দাঁড়ালে তাদের ভোট ভাগাভাগির আশঙ্কা উড়িয়ে […]

মাঠে উত্তাপ বাড়ছে মুন্সিগঞ্জে, প্রচারণায় ব্যস্ত বিএনপি–জামায়াত–ইসলামী আন্দোলন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ নভেম্বর ২০২৫, ০১:৩৭

আলী আক্কাছ মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জ জেলায় রাজনৈতিক অঙ্গন ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। জেলার তিনটি আসনেই বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক শক্তির ভারসাম্যের কারণে বিএনপি এ জেলায় শক্ত অবস্থানে থাকলেও মনোনয়ন–বঞ্চিত কেউ স্বতন্ত্র হয়ে দাঁড়ালে তাদের ভোট ভাগাভাগির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে। জামায়াতে ইসলামী এখানে প্রার্থী করেছে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এ কে এম ফখরুদ্দীন রাজীকে।

পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থীরাও প্রচারণায় সমানভাবে সক্রিয় রয়েছেন। হাটবাজার থেকে জনসমাগমপূর্ণ স্থানে প্রতিদিনই কোনো না কোনো প্রার্থীর সভা-সমাবেশ দেখা যাচ্ছে।

মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির ঘাঁটি আরও সুদৃঢ় বলে মনে করছেন দলটির কর্মী-সমর্থকরা। এখানে দলের হয়ে মাঠে আছেন সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও একাধিকবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান সিনহা।

তার বিপরীতে জামায়াত প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন অধ্যাপক এ বি এম ফজলুল করিম। ইসলামী আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির মনোনয়নপ্রাপ্তরাও একইভাবে এলাকায় প্রচারণা চালিয়ে ভোটারদের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছেন।

সবচেয়ে আলোচিত মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে এখনো বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্ত না করায় জেলায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের কয়েকজন জনপ্রিয় নেতা এই আসনে মনোনয়নের প্রত্যাশী থাকায় বিএনপির সিদ্ধান্তের দিকে সবার নজর।

তাদের প্রত্যেকে নিজস্ব কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মাঠে সক্রিয় থাকায় এলাকায় প্রতিনিয়ত মহড়া চলছে। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মো. আবু ইউসুফ এবং ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মাহমুদুল হাসান সুমন দ্বিদলীয় প্রার্থীদের মতোই এলাকায় ঘুরে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে চলেছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির গোলাম আযম আজমিও ইতোমধ্যে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

জেলার প্রতিটি এলাকায় এখন নির্বাচনী আমেজ স্পষ্ট। প্রচারণার ব্যানার-ফেস্টুনে ছাওয়া রাস্তা, মোটরসাইকেল শোডাউন, পথসভা, গণসংযোগ—সব মিলিয়ে নির্বাচনী উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি–জামায়াতের লড়াই এবারও মুখ্য থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা এবং প্রার্থী ঘোষণায় বিলম্বকে কেন্দ্র করে তিনটি আসনেই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সমীকরণ বদলানোর সুযোগ তৈরি রয়েছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।