বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বেকার তরুণ–তরুণীদের কর্মমুখী করতে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে স্যাপ–বাংলাদেশ

‘ছোট উদ্যােগে মানব সক্ষমতার বিকাশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে স্বল্পশিক্ষিত বেকার তরুণ–তরুণীদের কর্মমুখী করে তুলতে পটুয়াখালী অঞ্চলে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ‘রিকভারি এন্ড এডভান্সমেন্ট অফ ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট (রেইজ)’ প্রকল্পের আওতায় (ওস্তাদ–শাগরেদ) মডেল বাস্তবায়ন করছে সাউথ এশিয়া পার্টনারশিপ–বাংলাদেশ (স্যাপ–বাংলাদেশ)। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল থেকে স্যাপ বাংলাদেশের গলাচিপা এরিয়া অফিস […]

বেকার তরুণ–তরুণীদের কর্মমুখী করতে কারিগরি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে স্যাপ–বাংলাদেশ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ নভেম্বর ২০২৫, ২০:৩০

‘ছোট উদ্যােগে মানব সক্ষমতার বিকাশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে স্বল্পশিক্ষিত বেকার তরুণ–তরুণীদের কর্মমুখী করে তুলতে পটুয়াখালী অঞ্চলে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ‘রিকভারি এন্ড এডভান্সমেন্ট অফ ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট (রেইজ)’ প্রকল্পের আওতায় (ওস্তাদ–শাগরেদ) মডেল বাস্তবায়ন করছে সাউথ এশিয়া পার্টনারশিপ–বাংলাদেশ (স্যাপ–বাংলাদেশ)।

এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল থেকে স্যাপ বাংলাদেশের গলাচিপা এরিয়া অফিস চত্বরে ওস্তাদদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে মাস্টার ক্রাফটসপার্সন ওরিয়েন্টেশনের মধ্যে দিয়ে দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন হয়েছে। যেখানে দুইটি ব্যাচে ৪০ জন ওস্তাদ প্রশিক্ষণে অংশ নেয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, স্যাপ বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচির এড়িয়া ম্যানেজার মো. সাইদুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন, প্রকল্প সমন্বয়কারী মো রফিকুল ইসলাম, কেস ম্যানেজমেন্ট অফিসার তাবির আহমেদ ও লাইফ স্কিল এন্ড এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট অফিসার এম এ রাজ্জাক প্রমুখ। 

প্রশিক্ষণ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় তরুণ ছোট উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের ব্যবসা ব্যবস্থাপনা, উদ্যোগ উন্নয়ন এবং বিভিন্ন ট্রেডের বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ পরিচালনার বিষয়ে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। বিশেষভাবে এই দুইদিন প্রশিক্ষণে পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক প্রস্তুতি, কারিগরি কোর্স ব্যবস্থাপনা, ক্লাস পরিচালনা ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া বিষয়ে হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা দেওয়া হচ্ছে।

উদ্দেশ্য একটাই, আগামী ছয় মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশ নেওয়া আগ্রহী বেকার তরুণ–তরুণীদের সফলভাবে কর্মমুখী দক্ষতাসম্পন্ন করে তোলা, যাতে তারা চাকরি অথবা আত্মকর্মসংস্থানে এগিয়ে যেতে পারে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ওস্তাদ প্রশিক্ষণ শেষে তাদের মাধ্যমে শাগরেদের সেলাই–দর্জি, বিউটি পার্লার, ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভলপমেন্ট, গ্রাফিক্স ডিজাইন এন্ড মাল্টিমিডিয়া, মোবাইল ফোন সার্ভিসিং, ইলেকট্রিশিয়ান, ফ্রিজ–এসি রিপেয়ারিং, বেকিং ও পেষ্ট্রি প্রিপারেশনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ছয় মাসের বিনামূল্যের কারিগরি প্রশিক্ষণ ক্লাস শুরু হবে।

কোর্স শেষে সার্টিফিকেটের পাশাপাশি চাকরি সংস্থান, উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ এবং সহজ শর্তে ঋণ সুবিধাও দেওয়া হবে। অংশগ্রহণকারীদের জন্য রয়েছে যাতায়াত ভাতাও। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য সমাজের পিছিয়ে পড়া স্বল্প আয়ের বেকার তরুণ–তরুণী ও প্রতিবন্ধীদের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি করে মজুরি ভিত্তিক ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং তাদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা।

এ লক্ষ্যেই ‘গুরু–শিষ্য/ওস্তাদ–শাগরেদ’ মডেল চালু করে ৬ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পটুয়াখালী অঞ্চলে ২০০ ওস্তাদ ও ৪০০ তরুণ -তরুণীদের প্রশিক্ষণ আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। যার মধ্যে ৩৫ শতাংশ নারী যাদেরকে তথ্য ও প্রযুক্তি নির্ভর বিভিন্ন বিষয়ে ২৬ টি ট্রেডের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরবর্তী এ কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।

প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া সাইমুন রহমান বলেন, এই ট্রেনিং আমাদের কাজকে আরও পেশাদার ও মানসম্পন্ন করবে। আমরা চাই প্রতিটি তরুণ–তরুণী দক্ষ হয়ে নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে।

অন্যদিকে শাহিনা আক্তার নামে এক উদ্যােক্তা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের কাজে নতুন দিক উন্মোচন করবে এবং তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ দিতে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। ফলে আত্মকর্মসংস্থান বাড়বে।

প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে বেকার তরুণ–তরুণীদের নতুন কর্মসংস্থানের পথ তৈরি হবে। স্যাপ–বাংলাদেশ ও পিকেএসএফ রেইজ প্রকল্পের মাধ্যমে এলাকার দারিদ্র্যপীড়িত যুবসমাজকে দক্ষ করে তুলতে কাজ করছে।

পটুয়াখালী অঞ্চলের গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, পটুয়াখালী সদর ও দশমিনা এ ৪টি উপজেলায় প্রকল্পের কাজ চলবে। আমরা আশা করব এ অঞ্চলের সকল বেকার যুবক-যুবতী এ প্রশিক্ষণের আওতায় আসবে এবং কর্মসংস্থান গড়ে তুলবে। সকলকে দক্ষ হতে হবে কারণ অদক্ষ জনশক্তি যেমন দেশের বোঝা, দক্ষ জনশক্তি তেমন দেশের সম্পদ। 

স্থানীয়রা আশা করছেন, এই উদ্যোগ পটুয়াখালী অঞ্চলের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে এবং বেকার তরুণ–তরুণীদের স্বপ্ন পূরণে নতুন দিগন্ত তৈরি করবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।