বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

তুহিন হত্যাকাণ্ডের মামলায় চার্জ গঠন সম্পন্ন, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

মোঃআতেফ ভূঁইয়া গাজীপুর সদর প্রতিনিধি: গাজীপুরের মেধাবী তরুণ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকাণ্ডের মামলায় অবশেষে চার্জ গঠন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) কেটু মিজান ও তার স্ত্রী গোলাপিসহ সকল আসামিকে আদালতে হাজির করার পর বিচারক চার্জ গঠন করেন। অন্যদিকে মাত্র ৬ দিন পর, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে—যা নিহত তুহিনের পরিবার, সহকর্মী ও পুরো […]

তুহিন হত্যাকাণ্ডের মামলায় চার্জ গঠন সম্পন্ন, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ নভেম্বর ২০২৫, ২০:১৬

মোঃআতেফ ভূঁইয়া গাজীপুর সদর প্রতিনিধি:

গাজীপুরের মেধাবী তরুণ সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকাণ্ডের মামলায় অবশেষে চার্জ গঠন সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) কেটু মিজান ও তার স্ত্রী গোলাপিসহ সকল আসামিকে আদালতে হাজির করার পর বিচারক চার্জ গঠন করেন।

অন্যদিকে মাত্র ৬ দিন পর, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে—যা নিহত তুহিনের পরিবার, সহকর্মী ও পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ দিন।

নিহত তুহিনের আইনজীবী প্রশান্ত চন্দ্র সরকার বলেন,আজ চার্জ গঠন সম্পন্ন হলো। মাত্র ছয় দিন পর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। আমরা চাই দ্রুত বিচার আদালতে স্থানান্তর হোক, সেজন্য আবেদন করা হয়েছে।

তবে এখনো আইন মন্ত্রণালয় থেকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।তুহিনের ভাই ও মামলার বাদী সেলিম হতাশ কণ্ঠে জানান—তিন মাস আগে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার আবেদন করেছি, কিন্তু এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেই। এ দেরি আমাদের কষ্ট আরও বাড়াচ্ছে।

দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর সম্পাদক এবং সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান মো. খায়রুল আলম রফিক বলেন,তিন মাস ধরে আমরা আইন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু সিদ্ধান্ত না আসায় আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠালে ৯০ দিনের মধ্যেই বিচার শেষ করা সম্ভব।

এদিকে মামলার ধীর গতিতে দেশজুড়ে সাংবাদিক সমাজে গভীর ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। সহকর্মীরা বলছেন—

সাংবাদিক তুহিনের রক্ত যেন বৃথা না যায়। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

সাংবাদিক সমাজ মনে করেন—তুহিন হত্যার বিচার হলে বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ইতিহাসে এটি হবে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়—যেখানে ন্যায়, সত্য ও সাহসের জয় প্রতিষ্ঠিত হবে।

সাংবাদিক তুহিনের মৃত্যু শুধু এক পরিবারের নয়—একটি পেশার, একটি সমাজের ব্যথা। বিচার দ্রুত না হলে এই বেদনা আরও গভীর হবে—এটাই সকল সাংবাদিকের আকুতি।

উল্লেখ্য গত আগষ্টের ৭ তারিখে দিবালোকে গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তায় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিনকে কেটু মিজানের নেতৃত্বে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।তার পর থেকে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমাজ তুহিনের নৃশংস হত্যার বিচার চেয়ে সারা দেশে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলেন।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।