ক্ষমতায় গেলে দেশের নারীদের জন্য একটি নিরাপদ, অংশগ্রহণমূলক ও মর্যাদাপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় ধাপে ধাপে নীতিগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন।
ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান জানান, সম্ভাবনাময় ও কল্যাণভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি বলেন, “সামনের বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময়, মানবিক ও কল্যাণরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে গেলে আমাদের মা–বোনদের অংশগ্রহণই হবে মূল নিয়ামক।”
তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি নারীদের স্বপ্ন, পরিকল্পনা এবং চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানার উদ্দেশে তিনি “উদ্ভাসিত নারী” শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়েছেন। সেখানে নারীদের প্রত্যাশা ও বাস্তবতার নানা দিক তিনি কাছ থেকে শুনেছেন এবং প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে নিজের পরিকল্পনাগুলো আরও পরিশীলিত করার সুযোগ পেয়েছেন বলে জানান।
তার ভাষায়, “নারীদের জন্য একটি উন্নয়নমুখী পরিবেশ গড়ে তুলতে আমাদের যে নীতিগত পরিকল্পনা রয়েছে, তা আমরা সুসংগঠিতভাবে বাস্তবায়ন করব—যদি আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় এবং জনগণের ভালোবাসায় জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করতে পারে।”
ফেসবুক পোস্টে আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের সংলাপ সমাজে নারীদের সম্ভাবনা ও প্রয়োজনগুলো আরও গভীরভাবে বুঝতে সহায়তা করবে। ভবিষ্যতেও এমন অর্থবহ যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
নারী উন্নয়ন, নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়ন—এই চারটি বিষয়কে সামনে রেখে জামায়াত তাদের কর্মপরিকল্পনা সাজাচ্ছে বলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা। ডা. শফিকুর রহমানের এই বক্তব্য আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।