রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গলাচিপায় চক্ষু সেবা ক্যাম্প, বিনামূল্যে চিকিৎসা-ওষুধ পেলো দুই শতাধিক রোগী

পটুয়াখালীর গলাচিপায় মুহম্মদ ইউসুফ মিয়া জাহানারা স্মৃতি কমপ্লেক্সের উদ্যোগে গরীব, অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্টের সহযোগিতায় দিনব্যাপী এই সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে পটুয়াখালীর বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল। এসময় চক্ষু বিশেষজ্ঞ, অপটোমেট্রিস্ট ও টেকনিশিয়ানের সহায়তায় প্রায় দুই শতাধিক রোগীর বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, ঔষধ ও চশমা সরবরাহ […]

গলাচিপায় চক্ষু সেবা ক্যাম্প, বিনামূল্যে চিকিৎসা-ওষুধ পেলো দুই শতাধিক রোগী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ নভেম্বর ২০২৫, ১৯:৫৬

পটুয়াখালীর গলাচিপায় মুহম্মদ ইউসুফ মিয়া জাহানারা স্মৃতি কমপ্লেক্সের উদ্যোগে গরীব, অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্টের সহযোগিতায় দিনব্যাপী এই সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে পটুয়াখালীর বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতাল। এসময় চক্ষু বিশেষজ্ঞ, অপটোমেট্রিস্ট ও টেকনিশিয়ানের সহায়তায় প্রায় দুই শতাধিক রোগীর বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, ঔষধ ও চশমা সরবরাহ করা হয়েছে। এদের মধ্যে যাদের চোখের ছানির অপারেশ প্রয়োজন তাদের বাছাই করে পটুয়াখালীতে বিনামূল্যে অপারেশন করা হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

মুহম্মদ ইউসুফ মিয়া জাহানারা স্মৃতি কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠিতা মুর্তাজা সাইফুল আলম জাকির এর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত চক্ষু সেবা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন,

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংসু সরকার কুট্টি, বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ পিনু, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মনিরুল ইসলাম লিটন, গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান,

সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার হাওলাদার ও উপজেলা যুবদলের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মঈন প্রমূখ। এসময় ক্যাম্পে পরিচালনার সহয়তায় ছিলেন ইউসুফ -জাহানারা স্মৃতি কমপ্লেক্সের ইনচার্জ আতিকুর রহমান শাহিন।

মুর্তজা সাইফুল আলম জাকির বলেন, আমার বাবা মো. ইউসুফ মিয়া এই অঞ্চলের একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী ছিলেন। তিনি গলাচিপা হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক, মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল হিসেবে দীর্ঘসময় দায়িত্ব পালন করেছেন।

ব্রিটিশ আমলের পর থেকেই তিনি এই অঞ্চলের মানুষের সেবা করে গেছেন। সবাই তাকে ‘ইউসুফ স্যার’ নামেই চিনেন। আমরা তার সন্তান হিসেবে তার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য বাবা–মায়ের নামে একটি স্মৃতি কমপ্লেক্স নির্মাণ করেছি।

এই কমপ্লেক্সে মসজিদ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও মেয়েদের স্কুল রয়েছে। এখানে বিনামূল্যে চিকিৎসা, ওষুধ এবং শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য পোশাক, বই-খাতা, দুপুরের খাবার এবং যাতায়াতের জন্য গাড়ির ব্যবস্থাও করা আছে।

তিনি আরও বলেন, আজ একটি চক্ষু সেবা ক্যাম্প আয়োজন করা হয়েছে। এ অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষই গরিব, দুঃস্থ ও অসহায়—যারা টাকার অভাবে চিকিৎসা নিতে পারেন না। তাদের কথা ভেবে আমরা বিনামূল্যে চিকিৎসা, চক্ষু পরীক্ষা, ওষুধ এবং চশমা প্রদান করছি। আমি আশা করি, এই এলাকার গরিব ও অসহায় মানুষের উপকারে আমার প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

হাসান মামুন আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে জানান, গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপি ইতিমধ্যেই বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ক্যাাম্প পরিচালনা করেছি। তাঁদের এ কার্যক্রমে আরো উদ্ভূত হয়ে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বিনামূল্যে চক্ষুসেবা ক্যাম্প আয়োজন করা হবে।

এবিএম মোশাররফ আয়োজকের প্রশংসা করে জানান, রাজনীতি মানে মানুষের কল্যাণে কাজ করা। রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো সমন্বিতভাবে মানুষের কল্যাণে কাজ করলে সাধারণত মানুষের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও আর্থ সামাজিক উন্নয়ন এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।

বিনামূল্যে চিকিৎসা, ছানি অপারেশনে সুযোগ ও ওষুধ পেয়ে এলাকার গরীব ও অসহায় মানুষরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।