শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সশস্ত্রবাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পেয়েছেন জামায়াত আমির

সশস্ত্র বাহিনী দিবসকে সামনে রেখে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ দলের শীর্ষ নেতারা। আগামীকাল শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তারা যোগ দেবেন বলে নিশ্চিত করেছে দলীয় সূত্র। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জামায়াত আমিরের ব্যক্তিগত সহকারী নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয়ভাবে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে […]

সশস্ত্রবাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পেয়েছেন জামায়াত আমির

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ নভেম্বর ২০২৫, ২১:৪৪

সশস্ত্র বাহিনী দিবসকে সামনে রেখে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ দলের শীর্ষ নেতারা। আগামীকাল শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তারা যোগ দেবেন বলে নিশ্চিত করেছে দলীয় সূত্র।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জামায়াত আমিরের ব্যক্তিগত সহকারী নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রীয়ভাবে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে জামায়াত আমির এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ গ্রহণ করা হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ে তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা সাধারণত দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব, কূটনীতিক, সেনাবাহিনীসহ তিন বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিদের সম্মানে আয়োজন করা হয়। প্রতি বছর অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা সরকারপ্রধান, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকেন।

আন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত এ বছরের সংবর্ধনা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। কারণ জুলাই অভ্যুত্থানের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক’ পুনর্গঠনের যে প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে জামায়াত নেতৃত্বের আমন্ত্রণ আলোচনার নতুন মাত্রা এনেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতৃত্বের আমন্ত্রণ রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। বিশেষ করে, চলমান রাজনৈতিক উত্তাপ, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের রায় এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আমন্ত্রণ ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণেও প্রভাব ফেলতে পারে।

জামায়াত নেতারা মনে করছেন, সশস্ত্র বাহিনীর আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে তাদের উপস্থিতি রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের পর দলটির ‘মূলধারার রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন’-এর প্রক্রিয়াও আরও মজবুত হবে বলে তারা মনে করেন।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনাকুঞ্জে আয়োজিত সংবর্ধনায় অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়। অনুষ্ঠানে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের কয়েকজন সদস্যও উপস্থিত থাকবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১১৬

রাজনীতি

আসন সমঝোতায় রাজি নয় জামায়াত, চরমোনাই চায় ১৫০ আসন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আট দলের সূত্র জানায়, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০৪

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আট দলের মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুরুতে শরিকদের সঙ্গে সহজেই সমঝোতা হবে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে আলোচনার গতি বেশ ধীর। জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আট দলের মধ্যে কোন দল কোন আসনে প্রার্থী দেবে—এ নিয়েই মূলত অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

আট দলের সূত্র জানায়, গত ৯ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি বিভাগের আসন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে প্রতিবারের মতোই বলা হচ্ছে, দুই–তিন দিনের মধ্যেই সমাধান আসবে। বাস্তবে শরিক দলগুলোর চাওয়ার পরিমাণ জামায়াতকে বড় চাপের মুখে ফেলেছে। চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন শুরুতে ১৫০ আসনের তালিকা দিলেও এখন অন্তত ১২০ আসনে ছাড় চাইছে। অন্যদিকে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দল মিলিয়ে প্রায় ২৭০ আসনে দাবি জানানো হয়েছে।

জামায়াতের একাধিক নেতা বলছেন, শরিকরা যেসব আসন চাইছে, সেগুলোর অনেক জায়গায় তাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল। ওই আসনগুলো ছেড়ে দিলে নির্বাচনে পরাজয়ের ঝুঁকি তৈরি হবে। বিশেষ করে সাবেক জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে প্রার্থী করার প্রস্তাব নিয়ে জামায়াত অস্বস্তিতে রয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, জয়ের সম্ভাবনা থাকলে আসন ছাড়তে আপত্তি নেই, কিন্তু অযৌক্তিক ছাড় দিলে আট দলেরই ক্ষতি হবে। আট দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, মনোনয়নপত্র দাখিলের আগেই ৩০০ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৫৬

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭০৫৬

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪১১৬