মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ অ্যাখ্যা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের ‘রাজাকার’ বলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। ছাত্র–জনতাকে ‘রাজাকার’ বলা মাত্রই প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী শাওনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। নেটিজেনদের একটি অংশ শাওনের বক্তব্যকে আওয়ামীমুখী ‘কালচারাল ফ্যাসিবাদ’ বলে উল্লেখ করে […]

অভিনেত্রী শাওনকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ অ্যাখ্যা, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ নভেম্বর ২০২৫, ১৪:০৯

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বুলডোজার নিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের ‘রাজাকার’ বলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন। ছাত্র–জনতাকে ‘রাজাকার’ বলা মাত্রই প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী শাওনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে।

নেটিজেনদের একটি অংশ শাওনের বক্তব্যকে আওয়ামীমুখী ‘কালচারাল ফ্যাসিবাদ’ বলে উল্লেখ করে তাকে ‘ভারতীয় গুপ্তচর’ আখ্যা দিচ্ছেন। অনেকেই দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে শাওনকে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন।

শাওনের পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দিনাত জাহান মুন্নি লিখেছেন, “৩২ নম্বর বলেছ, তাই ৩২ বার ভাঙতেই হবে।”

নাসির উদ্দিন খান মন্তব্য করেছেন, “সাহস থাকলে আজ ৩২ নম্বরে আয়। আওয়ামী লীগের নেতাদের সাহসের ওপরই ভরসা করে সময় কাটাচ্ছো।”

মুহাম্মদ আল আমিন হোসাইন শাওনকে ‘আওয়ামী দোসর’ ও ‘শাহবাগি’ উল্লেখ করে তার শাস্তির দাবি তুলেছেন।

মাহদী হাসান ফরাজী লিখেছেন, “দেশে থেকেও এই (অউল্লেখযোগ্য) এত নিরাপদ থাকে কী করে?”

জামাল আজিজ মন্তব্য করেছেন, “বুলডোজার বারবার ৩২ নম্বরে না গিয়ে শাওনের বাড়িতেই যাওয়া উচিত।”

দিদারুল ইসলাম লিখেছেন, “এই কথা বলে শাওন বাসায় থাকতে পারছে—এটাই হাসিনামুক্ত নতুন বাংলাদেশ। আগের আমলে এরকম বললে গুম হয়ে যেত।”

আফিয়া সিদ্দিকা প্রশ্ন তুলেছেন, “এখনো কেন সরকার এই মেয়েটাকে অ্যারেস্ট করছে না?”

মাকসুদ আলম পাটোয়ারী লিখেছেন, “এই ফ্যাসিবাদের প্রোডাক্টটিকে একবার ৩২ নম্বরে নিয়ে ছেড়ে দাও—তার কান্নার শব্দে আওয়ামী লীগের ঘুম ভাঙুক!”

শরীফুল ইসলাম বলেছেন, “শাওনের বাড়িও গুঁড়িয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।”

রুবেল কানিস অভিযোগ করেছেন, “শাওন ভারতের একজন গুপ্তচর হিসেবে বাংলাদেশে অবস্থান করছে। তার সম্পদ জব্দ করা হোক, বাড়ি বুলডোজার দিয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হোক।”

শাওনকে উদ্দেশ করে মোহাম্মদ ইউনুস লিখেছেন, “লেজকাটা শিয়ালের হুক্কা–হুয়া ডাক।”

ফজলে রাব্বি মন্তব্য করেছেন, “অভিনেত্রী শাওন আসলে একজন ভারতীয় এজেন্ট।”

বিনোদন

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : শবনম ফারিয়া

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্পষ্টভাষী বক্তব্যের জন্য পরিচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতি—সবই তিনি অকপটে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মধ্যেই বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস–এর ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই অভিনেত্রী।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী প্রচারণার কিছু ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেসব ভিডিও দেখেই শবনম ফারিয়ার এমন অনুভূতি হয় বলে তিনি ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন। ফারিয়া লেখেন, নির্বাচনী প্রচারে নানা পরিস্থিতির মধ্যেও মির্জা আব্বাস যেভাবে ধৈর্য ধরে নিজেকে সামলাচ্ছেন, তা তাকে তার বাবার শান্ত স্বভাবের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

স্ট্যাটাসে তিনি তার বাবার ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে জানান, বাবা ছিলেন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার মানুষ, বিপরীতে মা ছিলেন বেশ কড়া স্বভাবের। দাদি, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনের মধ্যেই বাবার জীবন কেটেছে—এমন স্মৃতিচারণ করেন তিনি রসিকতার সুরে। মজা করে তিনি লেখেন, এত বছর ধৈর্য ধরে সব সামলানোর কারণেই বাবার ‘শাস্তি দুনিয়াতেই শেষ’।

তবে বিষয়টি নিয়ে যেন কোনো বিভ্রান্তি না হয়, সে জন্য ফারিয়া স্পষ্ট করে জানান—এটি নিছক ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ ও হাস্যরস, এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মীয় ব্যাখ্যার কোনো সম্পর্ক নেই। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়তি ব্যাখ্যা বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন না করতে।

বিনোদন

ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়, এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ : অপূর্ব

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। ভোর […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:১৮

ক্ষমতার বাইরে থেকেও যে মানুষ মানুষের হৃদয়ে অমলিন জায়গা করে নিতে পারেন, তারই এক অনন্য প্রমাণ মিলেছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর জানাজায়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ-তে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ জড়ো হন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

ভোর থেকেই সর্বস্তরের মানুষ মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় আসতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের ঢল নামে, যা ঢাকার রাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল দৃশ্যের জন্ম দেয়। এই জনসমাগম শুধু একটি জানাজা নয়, বরং খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই বিশাল জনসমুদ্রের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “ক্ষমতার বাইরে গিয়েও যে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়—এই জনসমুদ্র তার প্রমাণ।” পাশাপাশি তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জান্নাতুল ফেরদাউস দানের জন্য দোয়া করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ২টা ৫৮ মিনিটে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম-এর খতিব মুফতি আবদুল মালেকের ইমামতিতে জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা এবং বিদেশি প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

বিনোদন

“তিনি সয়ে গেলেন, তিনি রয়ে গেলেন, খালেদা জিয়া আপনি জিতে গেলেন আসলে” : পরীমনি

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রাজনীতি থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মতো শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। চিত্রনায়িকা পরীমনি তার ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে লেখেন, “তিনি চলে গেলেন..! তিনি সয়ে গেলেন, তিনি রয়ে গেলেন। তিনি এভাবেই […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬:০২

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রাজনীতি থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মতো শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

চিত্রনায়িকা পরীমনি তার ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে লেখেন, “তিনি চলে গেলেন..! তিনি সয়ে গেলেন, তিনি রয়ে গেলেন। তিনি এভাবেই থেকে গেলেন এই মানচিত্রে। খালেদা জিয়া আপনি জিতে গেলেন আসলে…।”

খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। চিকিৎসা শেষে ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। সে সময় স্বাস্থ্যের কিছুটা উন্নতিও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিনের শারীরিক জটিলতা এবং মানসিক ধকলের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন।

গত ২৩ নভেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে এক মাসের বেশি সময় চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ ভোরে তিনি চিকিৎসায় সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন এবং চিরবিদায় নেন।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নেতৃত্ব দেওয়া খালেদা জিয়া ‘দেশনেত্রী’ হিসেবে জনগণের কাছে সমাদৃত ছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তার অটল ভূমিকার কারণে তাকে ‘আপসহীন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।