জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক ফ্যাসিস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়কে “খুব উদ্বেগজনক” বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের জ্যেষ্ঠ কংগ্রেস নেতা শশী থারুর। সোমবার ভারতের স্থানীয় সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।
গত বছরের আগস্টে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মুখে পতন ঘটে শেখ হাসিনা সরকারের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তিনি ভারতে পালিয়ে যান। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সোমবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঘটে যাওয়া গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। একই মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
ভারতের প্রবীণ কংগ্রেস নেতা শশী থারুর বলেন, “দেশে হোক বা বিদেশে—আমি মৃত্যুদণ্ডের পক্ষে নই। তাই বিষয়টি আমাকে অত্যন্ত হতাশ করেছে।” তিনি আরও বলেন, “অন্য দেশের বিচারব্যবস্থা নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করা আমার উচিত নয়। তারপরও বলতে হয়, এই ঘটনাকে আমি কোনো ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছি না। বরং এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”
তার এই মন্তব্য প্রকাশ করেছে ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআই। মন্তব্যটি প্রকাশের পর ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
এর আগে পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন—বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় “পাকিস্তানের নির্দেশে” দেওয়া হয়েছে। তার এই বিতর্কিত মন্তব্য ভারতের রাজনীতিতে ব্যাপক সমালোচনা ও আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশে এই রায়কে অনেকেই ইতিহাসের মোড় ঘোরানো চূড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে ভারতের একাধিক রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে কেন্দ্র করে ভিন্নমত ও উদ্বেগ প্রকাশিত হচ্ছে। বাংলাদেশের আইন, ন্যায়বিচার ও অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার প্রতি আন্তর্জাতিক মহল কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়—এখন সেদিকে নজর রাখছে দুই দেশের জনগণই।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?