আমজাদ শিবলু: সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি
সাবেক বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ ও নোয়াখালী-২ (সেনবাগ–সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে ধানের শীষের টানা ষষ্ঠবারের মতো মনোনয়নপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেছেন, তার মায়ের মৃত্যুর পর শেষবারের মতো মুখ দেখার সুযোগও তাকে দেওয়া হয়নি। শুক্রবার সেনবাগে উপজেলা মহিলা দলের প্রতিনিধি সভায় তিনি এসব অভিযোগ তোলেন।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সেনবাগের ডমুরুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সেনবাগ উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী সুফিয়া আক্তার (মনি মেম্বারে) সভাপতিত্বে মহিলা দলের নির্বাচনোত্তর প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেন, “এটিই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কষ্টের মুহূর্ত। শেষবারের মতো মায়ের মুখটা দেখতে দিল না। সেই আঘাত থেকেই মাটি ও মানুষের জন্য লড়ে যাচ্ছি।” সভায় তিনি আরও বলেন, “ষোলো বছর ধরে দেশকে যে নেত্রী এই অবস্থায় নিয়ে এসেছে, তিনি দেশের বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন। প্রবাসীরা সকাল ছ’টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রম করে দেশে টাকা পাঠান—সেই কষ্টার্জিত অর্থও লুট হয়েছে।”
স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, “সেদিন শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেননি। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। আমরা ছাত্ররা বলেছিলাম স্বাধীনতা ঘোষণা করুন, কিন্তু তিনি আশঙ্কা করেছিলেন মৃত্যুদণ্ডের। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়ার স্বামী মেজর জিয়াউর রহমান। আর সেই নেতাকেও প্রাণ দিতে হয়েছে ষড়যন্ত্রের কারণে।”