বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নদী খাল জলাশয় নেই তবুও সড়ক বিভাগ নির্মাণ করছে ৯ কোটি টাকার ব্রিজ

আব্দুল্লাহ আল মামুন ,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ নদী, খাল ও কোন জলাশয় নেই, তবুও সড়ক বিভাগ নির্মাণ করছে ৯ কোটি ১০ লক্ষ টাকার ব্রিজ। দুই পাশে রয়েছে বাড়ি-ঘর ও রাস্তা। টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের রতনগঞ্জ খিলগাতী এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের অর্থায়নে নির্মাণ করা হচ্ছে ব্রিজটি। টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের অফিস সূত্রে জানা যায়, সড়ক […]

নদী খাল জলাশয় নেই তবুও সড়ক বিভাগ নির্মাণ করছে ৯ কোটি টাকার ব্রিজ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:১৯

আব্দুল্লাহ আল মামুন ,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ

নদী, খাল ও কোন জলাশয় নেই, তবুও সড়ক বিভাগ নির্মাণ করছে ৯ কোটি ১০ লক্ষ টাকার ব্রিজ। দুই পাশে রয়েছে বাড়ি-ঘর ও রাস্তা। টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের রতনগঞ্জ খিলগাতী এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের অর্থায়নে নির্মাণ করা হচ্ছে ব্রিজটি।

টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের অফিস সূত্রে জানা যায়, সড়ক ও জনপথ বিভাগের অর্থায়নে ৩৪.৮৮ মিটার দৈর্ঘ্যের ৯ কোটি ১০ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে এই ব্রিজ। এই ব্রিজটির নির্মাণ কাজ পায় এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা লি. নামক একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কাজটি বাস্তবায়ন করছে মনোজ ও সুমন নামের টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের দুই প্রভাবশালী ঠিকাদার।

যারা সড়ক বিভাগের বেশির ভাগ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। ইতিপূর্বে তাদের ঠিকাদারী বিভিন্ন কাজের অনিয়ম ও সড়ক বিভাগের সাথে স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমে অসংখ্য সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। ইতোমধ্যে ব্রিজের পাইলিংয়ের কাজের প্রস্তুতি চলছে।

ব্রিজটি যেখানে নির্মাণ করা হচ্ছে এটি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের রতনগঞ্জ খিলগাতী এলাকায়। সাধারণত ব্রিজ নির্মাণ করা হয়, পানিপ্রবাহ কিংবা যেখানে কোনো খাল এবং নদীনালা থাকে কিংবা পানির প্রবাহ থাকে এমন জায়গায়।

কিন্তু নির্মাণাধীন ব্রিজটির দুই পাশে কোনো জলাশয় নদী বা কোন খাল নেই। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, যেখানে ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে তার দুই পাশে ব্যক্তি মালিকানাধীন বাড়িঘর ও রাস্তা রয়েছে। আশে পাশে কোনো খাল, নদীনালা ও জলাশয় নেই যে পানি প্রবাহিত হবে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ এখানে সরকারি টাকা অপচয় না করে এই টাকা অন্য কোন রাস্তা ও ব্রিজের কাজে লাগাতে পারতো।

স্থানীয় নাগ বাড়ি এলাকার বাসিন্দা সার্ভেয়ার বেনজীর আহমেদ বলেন, যেখানে ব্রিজ হচ্ছে সেখানে নদী বা খাল কোনদিনই ছিল না। এখানে ব্রিজের কোন প্রয়োজন নেই, শুধু শুধু সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা নুরুজ্জামাল ও রতনগঞ্জ বাজার এলাকার আলম মিয়া বলেন, এখানে কোনদিনই কোন খাল ছিল না।

এখানে ব্রিজ তৈরি করার কোন যুক্তিই নাই। নদী বা খালের পানিপ্রবাহের পথ তো দূরে থাক ব্রিজের দুই পাশে রাস্তা ও বাড়ী ঘর ছাড়া কিছুই নেই। খিলগাতী গ্রামের নান্নু মিয়া, আজগর আলী ও ইলিমুদ্দিন বলেন, গরু ছাড়া গোয়ালের যেমন মূল্য নেই, ঠিক তেমনি কোনো জলাশয় বা নদী ছাড়া ব্রিজের কোনো প্রয়োজন নেই।

এখানে কেন ব্রিজ করা হচ্ছে আমরা কেউ জানি না। তারা আরো জানান, লোহার ব্রিজ কয়েক যুগ আগে করা হয়েছিল তখন কাজে লাগতো। এখানে প্রায় ২ যুগ আগে মানুষজন ঘর বাড়ী নির্মাণ করে বসতি স্থাপন করেছে। এখন নদী খাল বা জলাশয় না থাকায় কোন পানি প্রবাহিত হয় না।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নাগবাড়ী ইউনিয়নের নায়েব মৌজা ম্যাপ ও ভলিয়ম বই পর্যালোচনা করে জানান, সিএস, আরএস ও বিএস রেকর্ডে সরকারি রাস্তা ব্যতীত ঐ জায়গায় কোন নদী, খাল বা জলাশয় নেই। এ বিষয়ে উক্ত কাজের ঠিকাদার মনোজ ও সুমনের সাথে কথা হয় ওই ব্রিজ এলাকায়। তারা বলেন, আমরা ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছি এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে।

যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কাজ পেয়েছি, তাই কাজ করছি। আমরা না করলে অন্য কেউ করতো। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা বলেন। এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের মধুপুর সড়ক বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সোহেল মাহমুদ বলেন, পূর্বে এখানে লোহার ব্রিজ ছিল, তাই সেখানে ব্রিজ করতে হবে।

তাছাড়া ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার জন্য বন্য হলে কিভাবে পানি প্রবাহিত হবে এজন্য এখানে ব্রিজ করা হচ্ছে। ব্রিজের পশ্চিম এবং রাস্তার দক্ষিণ পাশে গ্রামের লোকজনের পায়ে হেঁটে যাওয়ার রাস্তা রয়েছে, সেখানে যে কোন প্রতিষ্ঠান কালভার্ট বা ব্রিজ তাদের প্রয়োজনে করতে পারবে। 

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এর নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সিনথিয়া আজমিরী খান এর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ব্রিজের অনুমোদন আমি দেই না। প্রধান কার্যালয় থেকে টিম সরেজমিনে এসে দেখে, শুনে বুঝে অনুমোদন দেয়।

নদী খাল জলাশয় আছে কিনা, তা নতুন করে যাচাই করে ব্রিজের কাজ করা কিংবা কাজ বন্ধ করা আমার দায়িত্ব নয়। টাঙ্গাইল জেলা ‘নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটি’র সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার নূর মোহাম্মদ রাজ্য বলেন, অনেক এলাকাতেই পর্যাপ্ত ব্রীজ কালভার্ট না থাকাতে চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।

বর্ষার মৌসুমে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রীরা নৌকা কিংবা সাঁকোতে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হয়। অথচ অসাধু কিছু কর্মকর্তাদের কারণে প্রকল্পের নামে লোক দেখানো প্রকল্প বাস্তবায়ন করে রাষ্ট্রের অনেক অর্থ অপচয় হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।