বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, যারা বলে গণভোট সংবিধানে নেই, তারা মূলত ফ্যাসিবাদী আমলকে সমর্থন করে। তিনি বলেন,
“সংবিধানের চেয়ে জনগণের অভিপ্রায়ই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।”
সোমবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আটটি ইসলামী দলের বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন,
“যারা গণভোটের বিরোধিতা করছে, তারা আসলে জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে চায়। জনগণই রাষ্ট্রের মালিক, তাদের মতামত জানার জন্য গণভোট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। যারা এই ব্যবস্থাকে অস্বীকার করছে, তারা গণতন্ত্র নয়, স্বৈরতন্ত্রকেই সমর্থন করছে।”
তিনি আরও বলেন,
“সংবিধান মানতে হলে ২০২৬ সালের আগে কোনো নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব নয়। তাই ৫ বছর পূরণের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু জনগণের বাস্তব চাহিদা ও জাতীয় ঐকমত্যের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোট আয়োজন এখন সময়ের দাবি।”
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, গণভোট এবং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে মঙ্গলবার রাজধানীর পল্টনে সমাবেশের ঘোষণা দেন তিনি। বলেন, “এই সমাবেশ থেকে সরকার ও দেশের জনগণকে চলমান আন্দোলনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান,
“বিএনপি যদি ইসলামী দলগুলোর আহ্বানে সাড়া না দেয়, তবুও আমরা জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাব। তবে বিএনপি আলোচনা ডাকলে ইসলামী দলগুলো আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।”
বৈঠক শেষে যৌথভাবে জানানো হয়, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না এলে ইসলামি দলগুলো ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাবে এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে মাঠে থাকবে।