মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ডোমারের ভোগডাবুরী ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ ও কর্মীর সংকট : চরম ভোগান্তিতে রোগীরা

নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার ভোগডাবুরি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি একসময় ছিল স্থানীয় জনগণের নির্ভরতার স্থান। এখান থেকে নিয়মিতভাবে রোগীরা ওষুধ সংগ্রহ করতে পারতেন, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীরা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ পেতেন। কিন্তু বর্তমানে সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রটিতে ওষুধের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সামান্য কিছু ওষুধ আসলেও কয়েক দিনের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ নভেম্বর ২০২৫, ২১:২৪

নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার ভোগডাবুরি ইউনিয়নের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি একসময় ছিল স্থানীয় জনগণের নির্ভরতার স্থান। এখান থেকে নিয়মিতভাবে রোগীরা ওষুধ সংগ্রহ করতে পারতেন, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীরা বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পরামর্শ পেতেন।

কিন্তু বর্তমানে সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রটিতে ওষুধের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সামান্য কিছু ওষুধ আসলেও কয়েক দিনের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যেত। এছাড়া স্বাস্থ্য পরিদর্শিকা ও আয়া পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় গর্ভবতী নারীরা নিয়মিত চেকআপ করাতে পারছেন না।

বর্তমানে কেন্দ্রটিতে পলাশ চন্দ্র নামে একজন ফার্মাসিস্ট এবং শাহাদাত হোসেন নামে একজন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক দায়িত্ব পালন করছেন। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ফার্মাসিস্ট পলাশ চন্দ্র দায়িত্বে থাকলেও ওষুধপত্রের অভাবে তিনি কার্যত কিছুই করতে পারছেন না। এমনকি সাধারণ কৃমির ওষুধও মজুদে নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আগে এখানে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরিদর্শিকা আসতেন, আমরা চিকিৎসা ও ওষুধ পেতাম। এমনকি একসময় এখানে নরমাল ডেলিভারিও হতো। এখন কিছুই নেই, শুধু ভবনটা পড়ে আছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রটির ছাদে ছাগল পালন করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট।তাছাড়া দ্বিতীয় তলা তিনি দখল করে রেখেছেন। নিচতলায় হাসপাতালের আসবাবপত্র অগোছালো ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে আছে। এমনকি হাসপাতালের সামনে ছাগলের খাদ্যের জন্য ঘাসও চাষ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন বলেন, এখানে শুধু একজন ফার্মাসিস্ট রয়েছেন। স্বাস্থ্য পরিদর্শিকা ও আয়া পদ দুটি দীর্ঘদিন ধরে খালি। ফলে সেবা কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

রংপুর থেকে ওষুধ আসার কথা থাকলেও এখনো পৌঁছায়নি।সাংবাদিকের অনুরোধে কৃমির ওষুধ দিতে না পেরে তিনি জানান, ওষুধ শেষ হয়ে গেছে।তিনি আরও বলেন,দ্রুত স্বাস্থ্য পরিদর্শিকা ও আয়া নিয়োগ দেওয়া গেলে রোগীরা পুনরায় সেবা পাবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন শূন্যপদ, ওষুধ সংকট ও কর্মীদের অনিয়ম বিষয়ে জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমাদের উপজেলার বিভিন্ন পোস্ট এখনো ফাঁকা রয়েছে।

যেসব পদে এখনো নিয়োগ দেওয়া হয়নি, সে কারণেই পরিদর্শিকা ও আয়ার ঘাটতি দেখা দিয়েছে।তিনি আরও বলেন,গত ১৪ মাস ধরে কোনো ওষুধ সরবরাহ ছিল না, যার ফলে ওষুধের সংকট তৈরি হয়েছিল। সম্প্রতি নতুন ওষুধ এসেছে, দুই-এক দিনের মধ্যেই প্রত্যেকটি কেন্দ্রে সরবরাহ সম্পন্ন হবে।

তবে এবার সীমিত পরিসরে ওষুধ পাওয়া গেছে।স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফার্মাসিস্ট পলাশচন্দ্রের ছাগল পালনের অভিযোগ প্রসঙ্গে সোহেল রানা বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানতাম না—আপনা মাধ্যমেই জানলাম। আমি পরিদর্শকের সঙ্গে কথা বলব, অভিযোগের সত্যতা পেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা কেন্দ্রটির বেহাল অবস্থায় উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশা, সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগ দ্রুত উদ্যোগ নেবে যাতে ভোগডাবুরি ইউনিয়নের মানুষ আবারও আগের মতো স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।