সংসদে পাস হওয়ার আগে গণভোট আয়োজন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শনিবার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ‘নির্বাচনী ইশতেহারে প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
আমীর খসরু বলেন, “গণভোটের আগে সংসদে বিষয়টি পাস হতে হবে। জনগণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংসদীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি।” তিনি আরও বলেন, “জনগণ স্থিতিশীলতা চায়। কথায় কথায় রাস্তায় নামলে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”
বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, “দীর্ঘ আলোচনার পর যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো সম্মান করতে হবে। বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াতেও সেই ঐকমত্য বজায় রাখা জরুরি। আর যেসব বিষয়ে এখনো ঐকমত্য হয়নি, সেগুলোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণই নেবে।”
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “কয়েকটি রাজনৈতিক দল জনগণের ভাগ্য নিজেদের হাতে নিতে চায়। এটি গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী। জনগণের অধিকার জনগণকেই ফিরিয়ে দিতে হবে।”
সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, “জাতীয় নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি জুলাই সনদ নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে না পারে, তাহলে সরকারের দায়িত্ব হবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।”
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ওপর এখনো কোনো স্বাক্ষর হয়নি। সরকার সনদ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বলেই বিরোধ তৈরি হয়েছে।”
আমীর খসরু বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও দায়িত্বশীল মনোভাব প্রয়োজন। “সংলাপ ও ঐক্যই সংকট সমাধানের একমাত্র পথ,” যোগ করেন তিনি।