জুলাই সনদকে আইনি স্বীকৃতি দিতে গণভোটের দাবি আগেই তুলেছিল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। তবে এবার সময়সীমায় কিছুটা নমনীয় হয়েছে দলটি। দলটির নেতারা জানিয়েছেন— নভেম্বরে সম্ভব না হলেও জাতীয় নির্বাচনের আগে অবশ্যই গণভোট আয়োজন করতে হবে, অন্যথায় মাঠে আন্দোলনে নামবে জামায়াত।
বুধবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, “গণভোট জুলাই সনদের আদেশকে আইনি শক্তি দেবে। তবে জাতীয় নির্বাচনের দিন গণভোট করা যাবে না, এতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হবে। আগে গণভোট, পরে নির্বাচন— এইটাই সঠিক ক্রম।”
হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, “নভেম্বর মাসে সময় ফুরিয়ে গেলেও এখনো সুযোগ আছে। গণভোট ছাড়া নির্বাচন করলে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হবে না। আমরা চাই, নির্বাচনের আগে এই গণভোট আয়োজন করা হোক।”
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছাই হবে রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা। আর যদি সেই সুযোগ না দেওয়া হয়, তবে গণআন্দোলনের মাধ্যমে তাদের দাবি আদায় করবে দলটি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়াতের এই অবস্থান আসন্ন নির্বাচনের আগে বিরোধী জোটগুলোর মধ্যে নতুন সমন্বয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। দলটি ইতোমধ্যেই গণভোটকে কেন্দ্র করে মাঠ পর্যায়ে কর্মসূচি জোরদার করেছে।